প্রতীকী ছবি

মুর্শিদাবাদ: টাকা চুরির অভিযোগে এক নাবালককে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল এক দোকান মালিকের বিরুদ্ধে৷ সেই মারধরের ফুটেজ দেখলে শিউরে উঠবে যে কেউ৷ মাত্র ৪০০ টাকার জন্য ওইটুকু বাচ্চার সঙ্গে এমন অমানবিক যে কেউ হতে পারে তা কল্পনাতীত৷ এবং আরও অবাক করেছে উৎসাহী জনতার আচরণ৷ ওই নাবালককে হাত, পা আটকে মোটা লাঠি দিয়ে মারধর করা হলেও বাধা দিতে এগিয়ে আসেননি কেউ৷

বৃহস্পতিবার নারকীয় এই ঘটনার সাক্ষী থাকল মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ অন্তরদীপা গ্রাম৷ যে হোটেল মালিকের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তাঁর নাম সফিকুল ইসলাম৷ সফিকুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, এই মারধরের ঘটনার ভিডিও মোবাইল ফোন বন্দি করে তা সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেন৷

আরও পড়ুন: বিজেপির শিবরাজ্যে ন্যান্সির টয়লেট এক প্রেমকথা

স্থানীয়রা জানান, এদিন সকালে মহিম শেখ (নাম পরিবর্তিত) নামে দশ বছরের এক নাবালক স্থানীয় বাজার দিয়ে যাওয়ার সময় একটি খাওয়ার দোকানে ঢোকে৷ সেই দোকানেরই মালিক সফিকুল ইসলাম৷ দোকান মালিক অভিযোগ তোলেন, তাঁর দোকান থেকে টাকা চুরি করেছে ওই নাবালক৷ সে সুরে সুর মেলান দোকান মালিকের সঙ্গীরাও৷

অভিযোগ, এরপরই ওই নাবালকের হাত, পা আটকে মারধর শুরু হয়৷ বাচ্চাটির পিঠের চামড়া তুলে নেয় দোকান মালিক৷ ভিডিওটি ছড়াতে নিন্দার ঝড় ওঠে৷ যদি সত্যিই চুরির ঘটনা ঘটে থাকে সেক্ষেত্রে পুলিশে কেন খবর দেওয়া হল না৷ দোকান মালিক নিজের হাতে কেন আইন তুলে নিলেন উঠছে প্রশ্ন৷

সামশেরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে নির্যাতিত নাবালকের পরিবার৷ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ৷ আহত শিশুটিকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷

আরও পড়ুন: বিশ্বভারতীতে বাজছে লুঙ্গি ডান্স! নাচছেন অধ্যাপকরা

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.