ক্যান্ডি: ১৬ ই অক্টোবর ২০১৬৷ নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অভিষেক ম্যাচে কপিল দেবের হাত থেকে ওয়ান ডে ক্যাপ পেয়েছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া৷ নীল রঙা টুপিটা তুলে দিয়ে হরিয়ানার হ্যারিকেন সেদিন হার্দিককে বলেছিলেন, ‘দিনটা মনে রেখো, একই দিনেই ১৯৭৮-এ আমার টেস্ট অভিষেক হয়েছিল৷’

কাট টু ১৩ অগাস্ট,২০১৭৷ টেস্টে মেডেন সেঞ্চুরি হাঁকালেন বছর ২৩ এর উঠতি অলরাউন্ডার হার্দিক৷  সদ্য শ্রীলঙ্কা সফরে টেস্ট জার্সি পেয়েছেন প্রতিশ্রুতিমান এই ক্রিকেটার৷ পাঁচ দিনের ক্রিকেটে অভিষেক ম্যাচেই ঝোড়ো পঞ্চাশ৷ ৪৯ বলে সেদিনের অর্ধশতরানের ইনিংস যেন নতুন তারার উত্থানের সোনালী রূপকথা লিখে দিয়েছিল৷ এর পর তিন নম্বর টেস্টেই কাঙ্খিত সেঞ্চুরি৷ তাও আবার আট নম্বরে ব্যাট হাতে নেমে৷ ক্যান্ডিতে কেরিয়ারের প্রথম শতরান করতে নিলেন মাত্র ৮৬ বল৷ টি-টোয়েন্টি মেজাজে পান্ডিয়ার ব্যাটিং ঝড়েই খড়কুটোর মতো উড়ে গেল শ্রীলঙ্কা৷ এমন মারকাটারি ইনিংসের পর হার্দিকের প্রশংসায় পঞ্চমুখ নির্বাচক প্রধান এমএসকে প্রসাদ৷ বলছেন, হার্দিকের মধ্যে কপিল হওয়ার সবরকম গুণ রয়েছে৷

বড়োদার তরুণ ক্রিকেটারের প্রশংসা করে প্রসাদ বলেন, ‘ টেস্ট দলে সুযোগ পেয়ে অলরাউন্ডারের ভূমিকায় নিজেকে প্রমাণ করেছে হার্দিক৷ পাঁচদিনের ক্রিকেটে এই ছন্দ ধরে রাখতে পারলে একদিন কপিল দেবের সঙ্গে তুলনা হবে হার্দিকের৷’ এখানেই না থেমে ক্যান্ডির ‘পান্ডিয়া ঝড়’ দেখে ভূয়সী প্রশংসা করে নির্বাচক প্রধান যোগ করেন, ‘১৯৯৪-এ কপিল দেবের অবসরের পর টেস্টে দীর্ঘদিন ভালো মানের অলরাউন্ডার পায়নি ভারত৷ হার্দিকের মধ্যে দিয়েই এতদিন পর বিশ্বমানের এক অলরাউন্ডারকে খুঁজে পাওয়া গিয়েছে৷’ ব্যাটের পাশাপাশি বোলিংয়েও আক্রমণ হানতে পারেন হার্দিক৷ ঘন্টায় ১৪০ কিমি বেগে বোলিংয়ে সিদ্ধহস্ত৷ সঙ্গে দুরন্ত ফিল্ডিংয়ে নজর কাড়তে পারেন বছর ২৩ এর উঠতি ক্রিকেটার৷

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।