পাটনা : জন্মদিন বলে কথা। এর থেকে দামী উপহার কী হতে পারে। করোনা টিকা নিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার সোমবার টিকা পেলেন। পাটনায় টিকার প্রথম ডোজ নেন মুখ্যমন্ত্রী। সংবাদসংস্থা এএনআই সেই ছবি প্রকাশ করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এদিন মুখ্যমন্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান। বিহারের উন্নয়নে তাঁর ভূমিকার কথা উল্লেখ করে নীতিশ কুমারের ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী।

নীতিশ কুমারের ৭০ তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে বিহার জুড়ে বিকাশ দিবস পালন করা হচ্ছে। বিহারের বিভিন্ন প্রান্তে বিতরণ করা হচ্ছে লাড্ডু, নোট বই, পেনসিল। দরিদ্রদের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে দুধ। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘায়ুর জন্য মহাবীর মন্দিরে প্রার্থনা করেন নীতিশ কুমারের সমর্থকরা। এদিন দলের সদর দফতরে ৭০ পাউন্ডের কেকও কাটা হয়। নীতিশ কুমারের ছবির সামনে দুধ রেখে জন্মদিনের উৎসব পালন করা হয়।

এদিকে, সোমবার দিল্লির AIIMS-এ গিয়ে করোনার টিকা নেন নরেন্দ্র মোদী। এদিন টিকা নেওয়ার পর টুইট করেন প্রধানমন্ত্রী। টুইটে মোদী লেখেন, ‘‘AIIMS-এ আমি করোনা টিকার প্রথম ডোজটি নিয়েছি৷ করোনার বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী লড়াইয়ে আমাদের চিকিৎসক, বিজ্ঞানীরা তাঁদের যে শক্তি দেখিয়েছেন তা উল্লেখযোগ্য। যারা এই পর্যারে যাঁদের ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য বাছা হয়েছে তাঁদেরকে স্বাগত। আসুন ভারতকে করোনামুক্ত করি।’’

সোমবার থেকে দেশে টিকাকরণের দ্বিতীয় পর্ব শুরু। সকাল ৯টা থেকেই কো-উইন অ্যাপে নাম নথিভুক্ত করা যাবে। এদিন সকালে দিল্লির AIIMS-এ গিয়ে করোনার টিকা নিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। এদিন করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। টিকা নিয়ে উৎসাহিত নমো। চিকিৎসক-সহ অন্য স্বাস্থ্যকর্মীদের কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন টিকা নেওয়ার পরেই একটি টুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই টুইটে করোনার বিরুদ্ধে মরণপণ লড়াইয়ের জন্য চিকিৎসক, বিজ্ঞানীদের কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

গত ১৬ জানুয়ারি থেকে দেশজুড়ে করোনার টিকাকরণ অভিযানের প্রথম পর্ব শুরু হয়। প্রথম পর্বে দেশের ৩ কোটি করোনাযোদ্ধাকে টিকা দেওয়া শুরু হয়। দেশের চিকিৎসক, নার্স-সহ অন্য স্বাস্থ্যকর্মী ও নিরাপত্তাবাহিনীর সব সদস্যদের টিকাকরণের পর্ব শেষের মুখে। এবার পালা সাধারণ নাগরিকদের। গত শনি ও রবিবার করোনার টিকাকরণের জন্য তৈরি বিশেষ কো-উইন অ্যাপটির প্রযুক্তিগত কিছু কাজ চলে। তারই জেরে ওই দুদিন দেশে করোনার টিকাকরণ বন্ধ রেখেছিল কেন্দ্র।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.