পাটনা: বন্যা নিযন্ত্রণে বিহার সরকারের কাজে ক্রমাগত বাধা দিচ্ছে নেপাল। সোমবারই বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন বিহারেরই এক মন্ত্রী। মঙ্গলবার বিষয়টি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠক ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার। বৈঠকে উন্নয়নের কাজে পড়শি দেশের বাধা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে। একইসঙ্গে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ স্থির করা হবে এই বৈঠকে।

নেপালকেও ভারতবিরোধী কার্যকলাপে লাগাতার প্ররোচনা চিনের? নেপালের আচরণে ক্রমেই এই ধারণাই স্পষ্ট হচ্ছে। সোমবারই বিহারের এক মন্ত্রী সংবাদসংস্থা এএনআইকে অভিযোগের সুরে জানান, বন্যা রুখতে বিহার সরকারের বেশ কয়েকটি কাজে বাধা দিচ্ছে নেপাল। এবিষয়ে বিদেশমন্ত্রককে পদক্ষেপ করতে আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি।

বন্যা রোধের কাজে নেপালের বাধা নিয়ে উদ্বিগ্ন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারও। পরিস্থিতি পর্যালোচনায় মঙ্গলবার উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠক ডেকেছেন নীতিশ কুমার। এই বৈঠকে নেপালের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হবে। বিষয়টিতে বিহার সরকারের তরফে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের দাবি নিয়েও আলোচনা করা হবে বৈঠকে।

বিহারের একাংশের গা ঘেঁষেই রয়েছে পড়শি দেশ নেপাল। বন্যা রুখতে সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় বেশ কিছু কাজ করছে বিহার সরকার। অভিযোগ, সেই কাজে ক্রমাগত বাধা দিচ্ছে নেপাল।

বাধার জেরে বন্যা প্রতিরোধে বহু কাজ শেষ করা যাচ্ছে না। সেই কারণেই উদ্বেগ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবারের উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন নীতিশ কুমার।

ইতিমধ্যেই ভারতের বেশ কয়েকটি এলাকা নিজেদের মানচিত্রে তুলে এনেছে নেপাল। কাঠমান্ডুর দাবি, ওই এলাকাগুলি নাকি নেপালেরই অংশ। এমনকী নেপাল সংসদে তাঁদের নয়া মানচিত্র পাস করিয়েও নেওয়া হয়েছে। যদিও নেপালের এই দাবিতে আমল দেয়নি ভারত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।