কলকাতা : রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্যের ভূমিকা নিয়ে জরুরি সাংবাদিক সম্মেলন  করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “এটা দ্বিতীয় করোনা। সারা ভারত জুড়ে শুরু হয়েছে। তবে আতঙ্কের কারণ নেই ।”

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবার সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, “এখন লকডাউনের কথা ভাবছি না। পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে সেটা ঠিক করা হবে। বাস, ট্রেন, প্লেন চলছে। প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাইরে থেকে লোক আসছে। লকডাউন করে কী হবে? এটা দ্বিতীয় করোনা। সারা ভারত জুড়ে শুরু হয়েছে। বাইরে থেকে লোক আসছেন। অনেকে থেকেও গেছেন । রাজ্য সব রকমের ব্যবস্থা নিচ্ছে। আতঙ্কের কোনও কারণ নেই।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, “এখন ২০০০ গুরুতর করোনা রোগী আছে। তাদের কোমরবিডিটি আছে। কেন্দ্রের কাছে ওষুধ , ভ্যাকসিন চেয়ে পাচ্ছি না। ২৪ ফেব্রুয়ারি আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি লিখে ভ্যাকসিন চাই। সেটা পাইনি। ভ্যাকসিন কেন্দ্রের মাধ্যমে ছাড়া রাজ্য কিনতে বা পেতে পারে না। এটা বুঝতে হবে। তাই রাজ্যের তরফে বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে ভ্যাকসিন কিনতে হচ্ছে। ভ্যাকসিন, ওষুধ, অক্সিজেন সবই কম আছে। তবে রাজ্য সব রকমের ব্যবস্থা নিয়েছে। কেউ টাকা দিয়ে হাসপাতালের বেড আটকে রাখবেন না। আমরা হোটেল, স্টেডিয়ামে সেফ হোম করছি। আমি শুরু থেকে বলেছিলাম কেন রাজ্যে ৮ দফায় ভোট হচ্ছে? আমি শেষ তিনটি দফা এক দফায় করতে বলেছিলাম। সেটা হলো না। রাজ্য সরকারের কর্মীদের ৫০% অফিস আসতে আর ৫০% কে বাড়ি থেকে কাজ করতে বলেছি।”

মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, “স্কুলগুলোতে গরমের ছুটি দেওয়া হয়েছে মঙ্গলবার থেকে। জুন মাস পর্যন্ত ছুটি থাকবে। বাচ্চারা চাইছে স্কুলে আসতে। তবে কোরোনার জন্য আমরা আগাম গরমের ছুটি দিয়ে দিয়েছি।”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন নির্বাচনী সভা প্রসঙ্গে বলেন, “আমি মনে করি সভা করতে নয় মানুষরে সঙ্গে দেখা করার জন্য যাচ্ছি। পুলিশ ও সেন্ট্রাল ফোর্সকে বলছি সতর্ক থাকতে। তারা এক সঙ্গে থাকে। একজনের করোনা হলে অন্যজনের হতে পারে। আমরা জানি ঝড় আসবে তাকে মোকাবিলা করতে হবে সবাই মিলে । আমি একা সবটা পারবো না। সবাই মিলে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.