রায়পুর : সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গত ৯ মাসে ৩৪ জন সাধারণ নাগরিককে হত্যা করেছে মাওবাদীরা। পুলিশ সূত্রে এমনই খবর। পুলিশের রেকর্ড বলছে ২০১৯ সালে ৪৬ জন সাধারণ নাগরিককে খুন করেছিল মাওবাদীরা। তবে পুলিশের দাবি করোনা আবহে বেশ কিছুটা কোণঠাসা মাওবাদীরা।

মঙ্গলবার ২২ বছর বয়েসী এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধার হয় সুকমা জেলায়। মাওবাদীরাই তাকে খুন করেছে বলে অনুমান। তার আগের দিন বিজাপুর জেলায় চার জনকে খুন করা হয়। পিডিয়া জেলায় একটি জন আদালত ডেকে ওই চার ব্যক্তিকে খুন করা হয়। ওই চার ব্যক্তি পুলিশের চর হিসেবে কাজ করত বলে অভিযোগ।

তবে এই চার ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে, কারণ কোনও গ্রামবাসী ও মৃত ব্যক্তিদের পরিবারের লোকজন কোনও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেনি।

পুলিশের রেকর্ড বলছে, গত এক মাসে এই ৩৪ জনের মধ্যে ৯জনকে মারা হয়েছে। বেশিরভাগ ঘটনাই ঘটেছে বিজাপুরে। কমপক্ষে ১৪জনকে এই বিজাপুরেই মারা হয়েছে। প্রত্যেকটি ঘটনারই তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে, পুলিশ জানিয়ে ছিল, নাশকতামূলক কাজে কিছুটা হলেও ভাঁটা পড়েছে মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায়। করোনা সংক্রমণের জেরে অস্ত্র বা অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম মিলছে না। টান পড়েছে আর্থিক সামর্থ্যে। এছাড়াও এর ওপরে রয়েছে যৌথবাহিনীর লাগাতার তল্লাশি। সব মিলিয়ে বেশ কোণঠাসা মাওবাদীরা।

ছত্তিশগড়ের সুকমায় মার্চ মাসে বড়সড় আঘাত হানে যৌথবাহিনী। প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয় মাওবাদীদের। তারপর থেকেই কিছুটা হলেও থিতিয়ে পড়েছে মাওবাদী নাশকতামূলক কাজকর্ম। ছত্তিশগড় পুলিশের হাতে এসে পৌঁছেছে কিছু চিঠি, যা মাওবাদী ক্যাডারদের লেখা। সেখানে বলা হয়েছে করোনার সুযোগ নিয়ে বারবার তল্লাশি চলছে যৌথবাহিনীর। গতি বাড়ানো হয়েছে অ্যান্টি নকশাল অপারেশনের।

সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম দিকেও বড়সড় নাশকতামূলক মাওবাদী ছক ফাঁস করে যৌথবাহিনী। পশ্চিম সিংভূমে অত্যাধুনিক কমপক্ষে ১৮টি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন আইইডি উদ্ধার করে নিরাপত্তাবাহিনী। পুলিশের অনুমান, বড়সড় নাশকতার ছক কষেছিল মাওবাদীরা। সেই কারণেই ওই আইইডিগুলি মজুত করে রাখা হয়েছিল। মাওবাদীদের নিশানায় ছিলেন নিরাপত্তাকর্মীরাই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।