কলকাতা: ভোটের মুখে তৎপর এনআইএ (National Investigation Agency)৷ পরবর্তী শুনানির আগ পর্যন্ত রাজ্যের বাইরে যেতে পারবে না ছত্রধর মাহাতো৷ পরবর্তী শুনানি ২৪ মার্চ৷

ছত্রধর-মামলায় অন্তর্বর্তী নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court)৷ তাতে বিপাকে ছত্রধর মাহাতো (Chhatradhar Mahato)। এনআইএ আদালতের অনুমতি ছাড়া ২৪ মার্চ পর্যন্ত রাজ্যের বাইরে যেতে পারবে না ছত্রধর মাহাতো৷

কয়েক মাস আগে ছত্রধর মাহাতোকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এনআইএ। শালবনির সিআরপিএফ ক্যাম্পে ছত্রধর মাহাতোকে প্রায় ৩ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল এনআইএ ৷

তার আগে তাকে হাজিরার জন্যে ২ বার নোটিস দিয়েছিল এনআইএ। কিন্তু করোনা আবহের যুক্তিতে কলকাতায় আসেননি ছত্রধর৷ তারপর শালবনিতেই ক্যাম্প করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ৷ উল্লেখ্য,২০০৭ ও ২০০৯ সালের পুরনো দু’টি মামলায় নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে এনআইএ।

যদিও ছত্রধরের বিরুদ্ধে ওই দুটি মামলায় এনআইএ-কে তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট৷ মামলা দু’টি হল- লালগড়ের এক সিপিএম কর্মী প্রবীর মাহাতো খুন৷ অন্যটি হল জেলবন্দি ছত্রধরের মুক্তির দাবিতে বাঁশতলা স্টেশনে ভুবনেশ্বর-দিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেস আটক।

যদিও ছত্রধর দাবি করেছিল, ‘ওই দুটি মামলায় যে আমি জড়িত নই, তা ইতোমধ্যে প্রমাণ হয়ে গিয়েছে।’ ২০০৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর লালগড় থানার বীরকাঁড় জঙ্গল থেকে সিআইডি তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। তাঁর বিরুদ্ধে পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম–সহ রাজ্যের বিভিন্ন থানায় তাঁর বিরুদ্ধে নাশকতা, রাষ্ট্রদ্রোহিতা, খুন, লুঠপাট, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের হয়েছিল৷

২০১৯ সালে কলকাতা হাইকোর্ট আবেদনের ভিত্তিতে তাঁর সাজা কমিয়ে ১০ বছর করা হয়। সেই সময় তাঁর কারাবন্দি থাকার মেয়াদ ১০ বছর পেরিয়ে যায়। শেষমেশ ঝাড়খণ্ডের একটি মামলায় ছত্রধর আটকে ছিলেন। পরে সেই মামলাতেও জামিন পান ছত্রধর।

ছাড়া পাওয়ার পরই তৃণমূলের রাজ্য কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন ছত্রধর মাহাতো৷ তৃণমূলের ২১ জনের রাজ্য কমিটি ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ সেই রাজ্য কমিটিতে গুরুত্ব দেওয়া হয় জঙ্গলমহলকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।