রাঁচি: বাইকপ্রেমীর পাশাপাশি ভারতের বিশ্বজয়ী অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি যে একজন আদ্যোন্ত পশুপ্রেমী সেকথা অজানা নয় ক্রিকেট অনুরাগীদের। রাঁচির ফার্মহাউসে ধোনি, সাক্ষী এবং ছোট্ট জিভার সঙ্গে থাকে তাঁদের আদরের চার-চারটি পোষ্য সারমেয়। এবার ধোনির বাড়িতে পোষ্যের তালিকায় যোগ হল আরও এক। তবে না, এটি কোনও সারমেয় নয়। এটি ধোনির আস্তাবলের প্রথম সদস্য চেতক নামের একটি ঘোড়া।

গত ১মে ধোনির সংসারে আগমণ হয়েছে চেতকের। ধোনি তখন আইপিএল খেলতে বাড়ি না থাকলেও স্ত্রী সাক্ষী পরিবারের নয়া সদস্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন অনুরাগীদের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি ছোট্ট ভিডিও পোস্ট করে ধোনির বেটার-হাফ লেখেন, ‘চেতককে বাড়িতে স্বাগত। লিলির সঙ্গে সাক্ষাতের সময় আদ্যোপ্রান্ত একজন ভদ্রলোকের মতো আচরণ করেছো তুমি। অত্যন্ত খুশির সঙ্গে তোমাকে সাদরে গ্রহণ করলাম।’

লিলি হচ্ছে ধোনির ফার্মহাউসের অন্যতম সদস্য হাস্কি প্রজাতির একটি সারমেয়। গব্বর নামে হাস্কি প্রজাতির আরও একটি সারমেয় রয়েছে ধোনির। এছাড়া জোয়ানামে একটি ডাচ শেপার্ড এবং স্যাম নামে বেলজিয়ান মেলিনোয়িস প্রজাতিরও একটি সারমেয় রয়েছে ধোনির ফার্মহাউসে। তবে চেতকের আগমণে এখন বাকিদের কদর কমে কীনা, সেটাই দেখার। প্রিয় সেনানী রবীন্দ্র জাদেজার পর দেশের দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে ঘোড়া কিনলেন ধোনি। জাদেজার জামনগর ফার্মহাউসে্র আস্তাবলে যদিও চার-চারটি ঘোড়া রয়েছে।

করোনাকালে আইপিএল স্থগিত হয়ে যাওয়ার পর ঘরে ফিরে প্রিয় পোষ্যদের সঙ্গে ছবি পোস্ট করেছেন জাদেজাও। টুইটারে জাড্ডু লিখেছেন, ‘যেখানে সবচেয়ে নিরাপদ অনুভব করি সেখানে ফিরে এলাম।’ উল্লেখ্য আইপিএলে’র বায়ো-বাবলে করোনা হানা দেওয়ায় গত মঙ্গলবার ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে স্থগিতাদেশ নেমে এসেছে। ধোনি কিংবা জাদেজা সুস্থ থাকলেও তাঁদের দলের বোলিং কোচ এল বালাজি এবং ব্যাটিং কোচ মাইক হাসি মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তাঁদের দিল্লি থেকে চেন্নাই নিয়ে আসা হয়েছে পরবর্তী চিকিৎসার জন্য। বিদেশি ক্রিকেটার সহ দলের বাকি ক্রিকেটাররা নিরাপদে বাড়ি পৌঁছনো অবধি দিল্লিতে অপেক্ষা করেছেন মাহি। এরপর বৃহস্পতিবার রাঁচিতে প্রিয়জনদের কাছে ফিরেছেন সিএসকে অধিনায়ক।

সিএসকে ছাড়াও কলকাতা নাইট রাইডার্সের বরুণ চক্রবর্তী এবং সন্দীপ ওয়ারিয়র, দিল্লি ক্যাপিয়াটালসের অমিত মিশ্র এবং সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ঋদ্ধিমান সাহাও বায়ো-বাবলে থেকে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.