চেন্নাই: পৃথিবী জুড়ে চলছে কালান্তক করোনার কালবেলা। অদৃশ্য এই মারণ ব্যাধির দাপটে কার্যত বেসামাল অবস্থা আমজনতার। কবে মিলবে মারণ ব্যাধির দাপট থেকে মুক্তি? উত্তর এখনও অজানা সকলের কাছে। গোটা বিশ্বের তাবড় তাবড় বিজ্ঞানীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের পরও এখনও আবিষ্কার হয়নি এই রোগের কোনও প্রতিষেধক।

এই অবস্থায় করোনার সংক্রমণ রুখতে লকডাউন ছাড়া দ্বিতীয় কোনও পথ খোলা নেই গোটা দুনিয়ার কাছে। চলছে দফায় দফায় লকডাউনও। করোনাকে বশে আনতে গিয়ে কাহিল হয়ে পড়ছেন বাঘা,বাঘা ভাইরোললজিস্টিরাও। ফলে এই অবস্থায় কবে মিলবে করোনার অশনি সংকেত থেকে মুক্তি? এটাই যেন এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। তবে এত উদ্বেগ উৎকন্ঠার মাঝে করোনাভাইরাস নিয়ে একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য দাবি করে বসলেন চেন্নাইয়ের একজন পরমাণু বিজ্ঞানী সঙ্গেই।

পরমাণু বিজ্ঞানী ডঃ কে. সুন্দর দাবি করেছেন কবে নাগাদ করোনাভাইরাস পৃথিবী থেকে বিদায় নেবে সেই উত্তর তাঁর জানা আছে। আর ওই বিজ্ঞানীর এমন বিষ্ময়কর দাবির কথা শুনে থ বনে গিয়েছেন বিশ্বের অন্যান্য বিশেষজ্ঞরা। কী বলছেন ডঃ কে.সুন্দর? তাঁর দাবি, আগামী ২১ জুলাই সূর্যগ্রহণের পর থেকে পৃথিবী থেকে ধীরে-ধীরে কমে যাবে করোনার প্রকোপ।

তিনি আরও জানান, করোনাভাইরাস কোনও ভাবেই রাসায়নিক পরীক্ষাগারে তৈরি হয়নি। এটি একটি মহাজাগতিক ঘটনা। মহাকাশ থেকে ক্ষতিকর তেজস্বীরশ্মি বিকরণের ফলে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ভাবে এই ভাইরাসের সৃষ্টি। এদিকে গত বছর ২৬ ডিসেম্বরের পর থেকে করোনার উৎপত্তিস্থল চিনে এই ভাইরাসের উপদ্রব বাড়তে থাকে। সেই ২৬ ডিসেম্বর দিনটিতেও সূর্যগ্রহণ ছিলো। ফলে আগামী ২১ জুন পরবর্তী সূর্যগ্রহণের পর এই ভাইরাসের প্রকোপ কমতে শুরু করবে।

তাঁর আরও দাবি, সূর্যগ্রহণের পরে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে নানানরকম ক্ষতিকর উপাদানের সৃষ্টি হয়। যেহেতু সূর্যগ্রহণের কারনে বায়ুমণ্ডল এবং ওজোন স্তরের রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে। ফলে সেই সময় ওজোন স্তর ভেদ করে নানারকম ক্ষতিকর জিনিস পৃথিবীতে প্রবেশ করে। এরফলে নানারকম অচেনা রোগব্যাধির সৃষ্টি হয়। ঠিক একই ভাবে প্রাকৃতিক ভাবেই এই করোনাভাইরাসের উৎপত্তি। যা কালের নিয়মে ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাবে।

শুধু তাই নয়,সূর্যগ্রহণের সময় বায়ো নিউক্লিয়ার ইন্টার অ্যাকশন বিভিন্ন ভাইরাস জন্মের অন্যতম কারণ। আর এই স্তরকে বলা হয় ডি লেভেল। ফলে আগামী ২১ জুন সূর্যের বলয়গ্রাস পূর্ণগ্রাস গ্রহণ হবে।

সেই দিনও বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটবে। আর তারপর থেকেই পৃথিবী থেকে ক্রমশ কমে যাবে করোনার দাপট। এমনটাই দাবি তাঁর। তবে এখন দেখার বিষয় কবে এই মারণ রোগ থেকে মুক্তি মেলে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ