স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে ছাই হাওড়ার জগন্নাথ ঘাট সংলগ্ন গোডাউন৷ দমকলের ২০ ইঞ্জিনের প্রায় ছয় ঘন্টার চেষ্টায় আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে৷ তবে পুরোপুরি নেভেনি৷ পকেট ফায়ারের ভ্রুকুটি রয়েছে৷ তাই এলাকা বিপদমুক্ত বলা যাচ্ছে না৷ এখনও জল দেওয়ার কাজ চলছে৷ পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসতে ২৪ ঘন্টা লেগে যেতে পারে বলে অনুমান দমকল বাহিনীর৷

শুক্রবার গভীর রাতে আগুন লেগে যায় ইনল্যান্ড ট্রান্সপোর্ট নামে একটি কোম্পানির গোডাইনে৷ গুদামে রাসায়নিক থাকায় তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে৷ খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে যান দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু ও দমকলের ডিজি জগনমোহন৷ স্থানীয়দের মতে, গুদামের পাশে ঝুপড়ি রয়েছে৷ সেখান থেকেই আগুন লেগেছে৷

রাত আড়াইটে নাগাদ লাগে এই আগুন। দুর্ঘটনার কিছু পরেই আসে দমকল৷ রাতভর আগুন নেভানোর কাজ চলে৷ কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা৷ সংকীর্ণ রাস্তা দিয়ে গঙ্গার ঘাট পর্যন্ত পৌঁছতে রীতিমতো বেগ পেতে হয় দমকলবাহিনীকে৷ কাজ করছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও।

অগ্নিকাণ্ডের জেরে রাসায়নিকে গুদামের মধ্যে থেকে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাওয়া যায়৷ দমকলের তরফে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে ওই গুদামেরঅগ্নি সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে৷ তাদের অভিযোগ, স্বয়ংক্রিয় পর্যাপ্ত আগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না৷ যেগুলি ছিল সেসবও মেয়াদ উত্তীর্ণ৷ তাই এতবড় দুর্ঘটনা ঘটে গেল৷

আগানের জেরে ভেঙে পড়েছে গুদামের ছাদের একাংশ৷ ফাটল দেখা গিয়েছে গুদামের দেওয়ালে৷ যেকোনও সময় সেটি ভেঙে পড়তে পারে৷ রাসায়নিকের ঝাঁজালো গ্যাসে কাজ ব্যাহত হচ্ছে দমকলের৷ তাই দফায় দফায় দমকলের কর্মীদের বদল করা হচ্ছে৷