লন্ডন: কোচ হিসেবে চেলসির সঙ্গে দেড় বছরের সামান্য কিছু কম সময়ের মধুচন্দ্রিমা শেষ হল ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ডের। এফএ কাপের চতুর্থ রাউন্ডে লুটন টাউনের বিরুদ্ধে ৩-১ জয়ের ২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই লন্ডনের ক্লাব হেড কোচের পদ থেকে ছেঁটে ফেলল ক্লাবের প্রাক্তনীকে।

গত বুধবার লেস্টার সিটির বিরুদ্ধে প্রিমিয়র লিগে হারের পর থেকেই কোচ হিসেবে চেলসিতে ল্যাম্পার্ডের ভাগ্য টলমল করছিল। গত আটটি প্রিমিয়র লিগ ম্যাচের মধ্যে যা পঞ্চম হার ছিল ব্লুজ’দের। কিন্তু ল্যাম্পার্ডের জুতোয় পা কে গলাবেন, বিষয়টি চূড়ান্ত না করে ল্যাম্পার্ডের বিদায় ঘোষণা করতে পারছিল না ক্লাব। অবশেষে নয়া কোচ হিসেবে পিএসজি’র প্রাক্তন বস থমাস টাচেলের নামে কার্যত সিলমোহর পড়তেই ল্যাম্পার্ডের বিদায় ঘোষণা করা হয় ক্লাবের পক্ষ থেকে।

সোমবার সকালে চেলসি ফুটবলারদের নিয়ে ল্যাম্পার্ডের প্র্যাকটিসে না নামার খবর প্রকাশ্যে আসতেই বিষয়টি মোটামুটি স্পষ্ট হয়ে যায়। কোচের পদ থেকে ল্যাম্পার্ডকে বরখাস্ত করার বিষয়টি নিয়ে বলতে গিয়ে ক্লাবের মালিক রোমান আব্রামোভিচ জানিয়েছেন, ‘ক্লাবের জন্য এটা খুবই কঠিন সিদ্ধান্ত। আমার সঙ্গে ল্যাম্পার্ডের ব্যক্তিগত স্তরে সম্পর্ক কেবল ভাল বলেই নয় কিংবা ল্যাম্পার্ডের প্রতি আমি শ্রদ্ধাশীল বলেই নয়। ল্যাম্পার্ড একজন অত্যন্ত সৎ এবং নিজের কার্যনীতি সম্পর্কে ভীষণ ওয়াকিবহাল। কিন্তু সাম্প্রতিক যা পরিস্থিতি তাতে আমাদের কোচ বদলের পথে হাঁটতেই হল।’

আব্রামোভিচ আরও বলেন, ‘ক্লাবের বাকি সকলের হয়ে আমি ব্যক্তিগতভাবে ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ডকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। একইসঙ্গে ভবিষ্যেতে তাঁর সাফল্য কামনা করি।’ একইসঙ্গে প্রিমিয়র লিগ টেবিলে আপাতত ন’নম্বরে থাকা চেলসি চ্যাম্পিয়নশিপের দৌড় থেকে হারিয়ে গিয়েছেন বলেই মনে করেন চেলসির মালিক। উল্লেখ্য, ল্যাম্পার্ডের নির্দেশ মেনেই টিমো ওয়ের্নার, কাই হ্যাভার্তজ, থিয়াগো সিলভার মত তারকা ফুটবলারদের দলে নিয়ে চলতি মরশুমে খেতাব জয়ের জন্যই ঝাঁপিয়েছিল চেলসি। কিন্তু শেষ কয়েকটি ম্যাচে প্রত্যাশার ধারেকাছেও পারফর্ম করতে ব্যর্থ চেলসি।

আপাতত ১৯ ম্যাচে লিগ টেবিলে ন’য়ে থাকা চেলসির সংগ্রহে ২৯ পয়েন্ট। আপাতত দায়িত্ব নিয়ে টিমো ওয়ের্নার, কাই হ্যাভার্তজদের সেরাটা বের করে আনাই চ্যালেঞ্জ নয়া বস টাচেলের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।