লন্ডন: আক্ষরিক অর্থেই ৪ মিনিটের নীল বিপ্লব এবং তাতেই ধূলিসাৎ হল ঘরের মাঠে চেলসির বিরুদ্ধে আর্সেনালের জয়ের স্বপ্ন৷ ম্যাচের শুরুতেই গোল পেয়ে যাওয়া গানার্সরা ৮৩ মিনিট পর্যন্ত ব্যবধান ধরে রাখলেও চার মিনিটে জোড়া গোলে করে ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়ে যায় চেলসি৷ ফলে লিগ টেবিলের প্রথম দশে ঢুকে পড়া এ যাত্রায় সম্ভব হল না আর্সেনালের৷

ম্যাচের প্রথমার্ধে পিয়ের এমেরিক আউবামেয়াংয়ের গোলে এগিয়ে যায় আর্সেনাল৷ প্রথমার্ধে নিজেদের দূর্গ সুরক্ষিত রাথায় লিড হাতছাড়া হয়নি তাদের৷ নির্ধারিত সময়ের শেষ সাত মিনিটে গানার্সদের রক্ষণ দূর্বল হতেই সুযোগ কাজে লাগায় দ্য ব্লুজ৷ জোরগিনহো ও আব্রাহাম চকিত আক্রমণে গোল করে ২-১ ব্যবধানে জয় এনে দেন ল্যাম্পার্ডদের৷

আরও পড়ুন: ব়্যাপিড দাবায় বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হাম্পি

ম্যাচের ১৩ মিনিটে ওজিলের কর্ণার কিকে পা ছোঁয়ান চেম্বার্স৷ বল আউবামেয়াংয়ের কাছে পৌঁছলে জোরালো হেডারে চেলসির জালে জড়িয়ে দেন তিনি৷ ম্যাচে ফেরার মরিয়া প্রচেষ্টায় প্রথমার্ধেই আগ্রাসী ফুটবল খেলতে শুরু করে চেলসি৷ ফলে হলুদ কার্ড দেখতে হয় মাউন্ট, কান্তে ও রুডিগারকে৷ তবে প্রথমার্ধে কোনওভাবেই সমতায় ফেরা হয়নি চেলসির৷

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই হলুদ কার্ড দেখেন পরিবর্ত হিসাবে মাঠে নামা জোরগিনহো৷ তবে ৮৩ মিনিটের মাথায় তিনিই সমতা এনে দেন চেলসিকে৷ মাউন্টের পাস থেকে গোল করে ম্যাচের স্কোর-লাইন ১-১ করেন জোরগিনহো৷ ৮৭ মিনিটে চেলসির হয়ে জয়সূচক গোল করেন আব্রাহাম৷ এক্ষেত্রে তাঁকে গোলের পাস বাড়ান উইলিয়ান৷

আরও পড়ুন: ইংল্যান্ডের প্রত্যাশায় জল ঢেলে দুরন্ত জয় প্রোটিয়াদের

এই জয়ের ফলে ২০ ম্যাচে ৩৫ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের চার নম্বরে থেকে বছর শেষ করে চেলসি৷ জিতলে ৯ নম্বরে উঠে আসার হাতছানি ছিল আর্সেনালের সামনে৷ তবে শেষমেশ ম্যাচ হেরে বসায় ২০ ম্যাচে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে ১২ নম্বরে নেমে যেতে হয় গানার্সদের৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ