স্টাফ রিপোর্টার, ঝাড়গ্রাম: বিধানসভা নির্বাচনের আগে ছত্রধর মাহাতোর স্ত্রী নিয়তি মাহাতো সরকারি পদে নিয়ে আসা হল। শিশু সুরক্ষা কমিশনের সদস্য করা হল তাঁকে। ২০৩০ সাল অবধি তিনি সদস্য থাকবেন। কমিশনের পুরনো কমিটি ভেঙে সম্প্রতি নতুন কমিটি গড়া হয়।

সেই কমিটিতেই জায়গা পেলেন একসময় লালগড়ে পুলিশি সন্ত্রাস বিরোধী জনসাধারণের কমিটির আহ্বায়ক তথা বর্তমানে তৃণমূলের অন্যতম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ছত্রধর মাহাতোর স্ত্রী।কমিটিতে রয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ও। সোমবারই কমিটির প্রথম বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকে যোগ দিতেই কলকাতা আসেন ছত্রধরের স্ত্রী।

তাঁর স্ত্রীকে রাজ্য সরকারের এই কমিশনের সদস্যপদ দেওয়া নিয়ে তিনি যথেষ্ট খুশি বলে জানিয়েছেন ছত্রধর। বিরোধীদের বক্তব্য, একুশের ভোটের দিকে তাকিয়ে জঙ্গলমহলের ভোটকে সুরক্ষিত করতে চাইছে তৃণমূল। তাই এই ব্যবস্থা। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।

রাজনৈতিক মহলের একাংশ অবশ্য বলছেন, জঙ্গলমহলে তৃণমূলের ঝাণ্ডা নিয়ে ছত্রধর ফিরতেই পায়ের নিচে মাটি খুঁজে পাচ্ছে শাসক দল। এই অঞ্চলগুলিতেই লোকসভায় একচেটিয়া সাফল্য পেয়েছে বিজেপি। কিন্তু আড়ালে অনেক বিজেপি নেতাও স্বীকার করে নিচ্ছেন, জঙ্গলমহলে এক্স ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারেন ছত্রধর।

এমনকী তৃণমূলে যোগ দিয়েই ছত্রধর দাবি করেছেন, জঙ্গলমহল-সহ গোটা বাংলাতেই আবার ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল। এদিন বৈঠকের আগে সস্ত্রীক দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে তাঁর নাকতলার বাড়ি যান ছত্রধর।

যদিও অন্যত্র ব্যস্ত থাকায় মহাসচিবের সঙ্গে তাঁদের দেখা হয়নি। এপ্রসঙ্গে তৃণমূলের মহাসচিব জানিয়েছেন, “ছত্রধর দলেরই সদস্য। বিজয়া করতে অনেকেই আসছেন। দেখা হয়নি। দুর্ভাগ্য।”

এদিকে তৃণমূল সূত্রের খবর, করোনা পরবর্তী শারীরিক দুর্বলতা কাটিয়ে ছত্রধর এখন জনসংযোগ কর্মসূচি শুরু করে দিয়েছেন। তাঁর গ্রাম আমলিয়ার অদূরে পাথরডাঙাচকে নিয়মিত লোকজনের সঙ্গে দেখা করছেন। মানুষের সমস্যার কথা শুনছেন। দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গেও ফোনে সাংগঠনিক বিষয়ে আলাপ-আলোচনা সারছেন।

জানা গিয়েছে, উৎসবের রেশ কাটলে দলের একটি সমাবেশে যোগ দেবেন তিনি। তবে এনআইএ-এর কথা মাথায় রেখে সেই সমাবেশের দিনক্ষণ অবশ্য আপাতত গোপন রাখা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।