মেদিনীপুর:  দেশদ্রোহিতা এবং সন্ত্রাসদমন আইনে ইতিমধ্যে দোষী সাব্যস্ত জনসাধারণের কমিটির নেতা ছত্রধর মাহাতকে যাবজ্জীবনের সাজা দিলেন বিচারক। আজ মঙ্গলবার তাঁর সাজা ঘোষণা হয় মেদিনীপুরের চতুর্থ জেলা দায়রা আদালত। একই অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত সাগেন মুর্মু, সুখশান্তি বাসকে, শম্ভু সোরেনসহ আরও ৬ জনকেও একই সাজা দেওয়া হয়েছে৷।

তবে রাষ্ট্রদোহিতায় দোষী সাব্যস্ত হলেও, ইউএপিএতে অন্তর্ভূক্ত হননি রাজা সরখেল ও প্রসূন চট্টোপাধ্যায়। হেভিওয়েট এই মামলার নির্দেশ দেওয়ার সময়ে যে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয় গোটা আদালত চত্বর। একটি নির্দিষ্ট জায়গা পর্যন্ত ব্যারিকেড করে দেওয়া হয়। তার আশেপাশে ঘিরতে দেওয়া হয়নি সংবাদমাধ্যমকেও।

পশ্চিম মেদিনীপুরের দলিতপুরে একটি নাশকতামূলক বিস্ফোরণের ঘটনায় ও মাওবাদী সংস্রবের অভিযোগে ২০০৯-এর ২৬ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার করা হয় পুলিশি সন্ত্রাস বিরোধী জনসাধারণের কমিটির নেতা ছত্রধর মাহাতকে। ২০১১-র বিধানসভা নির্বাচনে জেল থেকেই ভোটে লড়েন ছত্রধর। রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর বন্দিমুক্তি কমিটি গঠিত হয়। কিন্তু, রেহাই পাননি তিনি। যদিও ২০০৯-এর লোকসভা ভোটের আগে ছবিটা ছিল অন্যরকম। রাজ্যের তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একই সভামঞ্চে দেখা গিয়েছে ছত্রধর মাহাতকে।

Comments are closed.