সেঞ্চুরিয়ন: চতুর্থ ইনিংসে ২৫১ রানের বেশি লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করে জয়ের নজির না থাকলেও ইংল্যান্ড ব্যাটসম্যানদের হাত ধরে নতুন রেকর্ডের সাক্ষী থাকতেই পারে সেঞ্চুরিয়ন। সৌজন্যে জোফ্রা আর্চার, ররি বার্নস। দক্ষিণ আফ্রিকার ২৮৪ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে ১৮১ রানে গুটিয়ে গিয়েও তৃতীয়দিনের শেষে যে অবস্থায় দাঁড়িয়ে তাঁরা, তাতে প্রথম টেস্ট নিজেদের নামে করে সিরিজে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা করতেই পারে থ্রি-লায়ন্সরা।

প্রথম ইনিংসে ১০৩ রানে পিছিয়ে থেকেও প্রাথমিকভাবে এদিন ইংল্যান্ডকে এদিন লড়াইয়ে রাখেন পেসার জোফ্রা আর্চার। বার্বাডোজজাত পেসারের ৫ উইকেটে ভর করেই দ্বিতীয় ইনিংসে প্রোটিয়াদের খুব বড় রানের ইনিংস গড়তে দিল না ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২৭২ রানে গুটিয়ে দিয়ে তৃতীয়দিনের শেষে স্কোরবোর্ডে ১ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান তুলেছে ইংল্যান্ড। অর্থাৎ, সেঞ্চুরিয়নে প্রথম টেস্ট জিতে সিরিজে এগিয়ে যেতে রুটদের দরকার আর ২৫৫ রান। হাতে রয়েছে মূল্যবান দু’টো দিন।

৪ উইকেটে ৭২ রান নিয়ে তৃতীয়দিন খেলা শুরু করে দক্ষিণ আফ্রিকা। কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন অভিষেককারী ভ্যান ডার দুসেন ও অ্যানরিচ নর্তজে। পঞ্চম উইকেটে ৯১ রানের মূল্যবান অবদান রাখেন এই দুই ব্যাটসম্যান। অর্ধশতরান পূর্ণ করে (৫১) আর্চারের বলে ক্লিন বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন দুসেন। ৪০ রান আসে নর্তজের ব্যাট থেকে। অষ্টম উইকেটে ৪৩ রান যোগ করে কুইন্টন ডি’কক-ভার্নন ফিলান্ডার জুটি। নয় নম্বরে ব্যাট করতে নেমে উল্লেখযোগ্য ৪৬ রান করেন ফিলান্ডার। তাঁকে প্যাভিলিয়নে ফেরান স্যাম কারেন। ৩৪ রানে কককে ফেরান বেন স্টোকস।

শেষ অবধি ২৭২ রানে শেষ হয় প্রোটিয়াদের দ্বিতীয় ইনিংস। দ্বিতীয়দিন দুই উইকেটের পর তৃতীয়দিন আরও তিন উইকেট নিয়ে দ্বিতীয়বার টেস্টে এক ইনিংসে ৫ উইকেট দখল করেন আর্চার। ২টি উইকেট নেন স্টোকস। একটি করে উইকেট ঝুলিতে ভরেন অ্যান্ডারসন, ব্রড এবং কারেন।

৩৭৬ রানের বড়সড় লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে তৃতীয়দিনের শেষে অ্যাডভান্টেজ ইংল্যান্ডই। বোলারদের প্রস্তত করে দেওয়া মঞ্চে ব্যাট হাতে সপ্রতিভ ররি বার্নস। দিনের শেষে ১১৭ বলে ৭৭ রানে অপরাজিত ইংরেজ ওপেনার। ওপেনিং জুটিতে তাঁকে দারুণ সঙ্গ দেন ডম সিবলে। কেশব মহারাজের বলে সিবলে উইকেট ছুঁড়ে দিয়ে এলেও বার্নসের সঙ্গে ১০ রানে অপরাজিত রয়েছেন জো ডেনলি।