রামায়ণ ও মহাভারত এদেশের দুই মহাকাব্য। রামায়ণের সূচনা ত্রেতাযুগে আর মহাভারতের সূচনা দ্বাপর যুগে। সময়কালের পার্থক্য থাকলেও বেশ কয়েকটি চরিত্র আছে যাদের উভয় মহাকাব্যে উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

জাম্বুমান: ভাল্লুক সেনা হলেন জাম্বুমান এবং তিনি ছিলেন রামের সেনার অন্যতম সদস্য। অন্যদিকে আবার মহাভারতের কৃষ্ণের প্রকৃত পরিচয় না জেনেই তার সঙ্গে যুদ্ধ করেছিলেন জাম্বুবান। আর যখন কৃষ্ণ পরিচয় দিয়ে জানালেন তিনি এবং রাম একই তখন লজ্জায় মাথা নিচু করে ক্ষমা চান জাম্বুবান।

হনুমান: রামায়ণে হনুমান হলেন একনিষ্ঠ রাম ভক্ত। সীতা উদ্ধারে রাবণের সঙ্গে রামের যুদ্ধ তার এক ভূমিকা ছিল। তিনি সোনার লঙ্কা জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন। অন্যদিকে আবার একবার ভীম পথের মধ্যে এক বৃদ্ধ বানরকে শুয়ে থাকতে দেখেন এবং তার লেজ এমন অবস্থায় ছিল যে ভীম সেখান দিয়ে যেতে পারছিলেন না। তখন ওই লেজ সরাতে গিয়ে ব্যর্থ হয় ভীম এবং সে ওই বানর এর প্রকৃত পরিচয় জানতে চায়। তখন সেই বানরটি জানায় সে বীর হনুমান।

পরশুরাম: মহাভারতে পিতামহ ভীষ্ম কর্ণের গুরু হিসেবে পরশুরামের উল্লেখ রয়েছে। তেমনি আবার রামায়ণে সীতার স্বয়ংবর সভায় রাম হরধনু ভেঙে সীতার সঙ্গে বিয়ে হয়। কিন্তু আবার হরধনু ভাঙ্গায় পরশুরাম রামের প্রতি অসন্তুষ্ট হয়েছিলেন।

বিভীষণ: রামায়ণে রাবণের ছোট ভাই । তিনি রাম রাবণের যুদ্ধের সময় রামের পক্ষ নিয়েছিলেন। যুদ্ধ শেষে রাম তাকে লঙ্কার রাজা করেন। আবার মহাভারতে পাণ্ডবরা রাজসূয় যজ্ঞ করলে বিভীষণকে আমন্ত্রণ করেছিলেন এবং তিনি এসে প্রচুর উপহার দিয়ে যান।

মায়াসুর: রামায়ণের রাবণের শ্বশুর হলেন মায়াসুর । অন্যদিকে মহাভারতে দণ্ডকারণ্য জ্বালিয়ে দেওয়ার সময় অর্জুনের কাছে প্রাণভিক্ষা চেয়ে বেঁচে যায় মায়াসুর। পরে তিনি ইন্দ্রপ্রস্থ তৈরি করেন।

মহর্ষি দুর্বাসা : মহর্ষি দুর্বাসা রাম সীতার বিচ্ছেদ এর ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। আবার দুর্বাসার মন্ত্রী কুন্তী পঞ্চপান্ডবের মা হন।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।