স্টাফ রিপোর্টার, মেদিনীপুর: মাত্র ২৪ ঘন্টার ব্যাবধানে ফের একটি পুর্ণবয়স্ক হরিণের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার গোয়ালতোড়ে। আজ সকালে গোয়ালতোড়ের গাংদুয়ারি এলাকাতে কিয়ামাচা বীটের অন্তর্গত নয়াবসত রেঞ্জের অধীনে একটি জঙ্গলে এক হরিণটিকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন গ্রামবাসীরা।

বন দফতরে খবর দিলে বনকর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে মৃত হরিণটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। হরিণটি শরীরের দু তিন জায়গায় ক্ষত চিহ্ন রয়েছে। বনকর্মীদের প্রাথমিক অনুমান গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হতে পারে হরিণটির৷ উল্লেখ্য, এই জঙ্গলের উপর দিয়েই গিয়েছে গোয়ালতোড় চন্দ্রকোনা রাজ্য সড়ক। এই রাস্তার উপর দিয়ে নিয়মিত প্রচুর যানবাহন চলাচল করে। রাত্রে খাবার খেতে বেড়িয়ে হয়ত হরিণটি রাস্তার উপর উঠে যায়, সেই সময় কোনো গাড়ির ধাক্কাতে মারা যেতে পারে।

আরও পড়ুন : ভয়ে পালিয়েছে, ও আবার ইঞ্চিতে বুঝবে কী করে, অমিতকে পাল্টা অনুব্রতর

তবে ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসলেই মৃত্যুর সঠিক কারন বোঝা যাবে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান জঙ্গলের মধ্যে হরিণটি মৃত অবস্থায় পড়ে ছিল। এবং মৃত হরিণটিকে কয়েকটি কুকুর কামড়ে খাচ্ছিল। তাঁরা দেখতে পেয়েই বন দফতরে খবর দেন৷

উল্লেখ্য, একদিন আগেও অর্থাৎ বুধবার সকালে গোয়ালতোড়ের পাথরপাড়াতে একটি পূর্ণ বয়স্ক হরিণের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। ফের ২৪ ঘন্টার মধ্যে আরো একটি হরিণের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। এলাকাবাসীদের অভিযোগ বনদফতরের পর্যাপ্ত নজরদারির অভাবেই মাঝে মাঝেই হরিণগুলি এভাবে মারা যাচ্ছে।

বন বিভাগ থেকে জানানো হয়, এই গোয়ালতোড়ে প্রায় দুশর বেশী হরিণ রয়েছে তাই মাঝে মধ্যেই রাস্তা পারাপার করতে গিয়ে মারা পড়ে দুর্ঘটনায়৷ এই দুটো হরিণের মৃত্যুর কারণ সেই রকম দুর্ঘটনা কিনা সেটা ময়না তদন্তের পর বলা যাবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.