স্টাফ রিপোর্টা, বালুরঘাট: বিজেপির অভিনন্দন যাত্রা ঘিরে ধুন্ধুমার দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর৷ পুলিশ বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের যাত্রা আটকালে বচসা শুরু হয়৷ খণ্ডযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে পুলিশ ও বিজেপি কর্মীরা৷ ইঁটের ঘায়ে জখম এক পুলিশ কর্তা৷

বিজেপির বিজয় মিছিলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে রাজ্য সরকার৷ কিন্তু সেই নির্দেশকে উড়িয়ে দিচ্ছেন গেরুয়া শিবিরের নেতৃত্ব৷ কৌশলে বিজয় মিছিলের নাম বদলে করা হয়েছে অভিনন্দন যাত্রা৷ যা ঘিরেই বিভিন্ন জেলায় বিবাদের সূত্রপাত৷ বালুরঘাট লোকসভায় জয় পেয়েছে বিজেপি প্রার্থী৷ তাই বুনিয়াদপুর, কুশমণ্ডি, গঙ্গারামপুরে অভিনন্দন যাত্রা করে বিজেপি৷ যার নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ৷

সেই যাত্রা ঘিরেই যত গণ্ডগোল৷ প্রথমে বুনিয়াদপুরে সভা করেন দিলীপবাবু৷ এরপর সখান থেকে তিনি মিছিল নিয়ে এগিয়ে যান বুনিয়াদপুর বাস স্ট্যান্ডের দিকে৷ তাঁর সঙ্গে ছিলেন বালুরঘাটের নবনির্বাচিত সাংসদ সুকান্ত মজুমদারও৷ পুলিশের দাবি, ১৪৪ ধারা জারি থাকায় মিছিল শুরুতেই আটকে দিয়েছিল তারা। নির্দেশের কাগজ দেখানোও হয় দিলীপবাবুকে। তবে সেই নির্দেশ না মেনেই দলের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে হেঁটে বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত যান দিলীপবাবু৷

এরপরই গঙ্গারামপুর পার্টি অফিসের দিকে বিজেপির মিছিল এগোলে পুলিশ দিলীপ ঘোষকে আটকায়৷ নিষেধ সত্ত্বেও মিছিল এগিয়ে যায়৷ পুলিশ জোর করে তা আটকালে শুরু হয় বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের বচসা৷ পরে পরিস্থিতি আগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে৷ পুলিশকে লক্ষ্য করে ইঁট মারার অভিযোগ ওঠে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে৷ ইঁটের ঘায়ে জখম গঙ্গারামপুর থানার এএসআই বিভু ভট্টাচার্য সহ বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী৷ ভাঙচুর চলে পুলিশের গাড়িতে৷

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠি চার্জ করে পুলিশ৷ শূন্যে গুলিও ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ খাঁকি উর্দির বিরুদ্ধে৷ মিছিল আটকাতে পুলিশের অতি সক্রিয়তাকেই দায়ী করেন দিলীপবাবু৷ তিনি বলেন, ‘‘বিজেপি মিছিল করলেই তৃণমূলের নির্দেশে তা আটকানো হচ্ছে৷ স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব৷ মিছিল আটকালে প্রতিরোধ হবে৷’’