Purba Bardhaman District Trinamool Mahila Congress organized Women rally. Minister Chandrima Bhattacharya --- Photo by Sanjoy Karmakar, Purba Bardhaman

প্রতীতি ঘোষ, হাবড়া : ‘দিদি আছে চিন্তা নেই’ এই ট্যাগ লাইন সামনে রেখে উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ার কুমড়া এলাকায় জনসভা করল তৃণমূল। হাজির ছিলেন এলাকার বিধায়ক তথা খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।

মঞ্চে বক্তৃতা দিতে গিয়ে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ভিক্টোরিয়ার জয় শ্রীরাম প্রসঙ্গে উল্লেখ করে রামের ধ্বনি ওঠা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিবাদ না করা নিয়ে কটাক্ষ করেন।

পাশাপাশি বিজেপির উদ্দেশ্যে বলেন, ” ভোট আসছে তাই একশো পঁচিশ বছরে নেতাজীকে মনে পড়েছে।” এদিনের সভা শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “কলকাতার ভিক্টোরিয়ার ঘটনায় সরকারকে রাজনীতি করা হয়েছে সেটা প্রকাশ পেয়েছে , ওদের চরিত্রটাই বোঝা যাচ্ছে।”

অশোকনগরে আব্বাস সিদ্দিকীর জনসভা প্রায় ১০ হাজার মানুষের ভিড় উপচে পড়ছিল এ প্রসঙ্গে চন্দ্রিমার মন্তব্য, “যে কোনও দল সভা করতেই পারে। কোনও জমায়েত দিয়ে কিছু যায় আসে না। ওসব জমায়েত আমরা আগেও দেখেছি, ভোটে কি হয় দেখবেন ।”

পাশাপাশি মতুয়াদের নিয়ে বিজেপির যৌথ সভায় অমিত সাহার আসার প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, হরিচাঁদ ঠাকুর কে হরিশচন্দ্র ঠাকুর বলে মন্ত্রী অপমান করেছেন। এখন ভোটের জন্য আসছে খাচ্ছে চলে যাচ্ছে। আসল কোনও কাজ হবে না । ২০২১ এ নির্বাচনে ২২১ এরও বেশি আসন তাঁরা পাবেন বলেও জানিয়ে দেন।

এদিন বিভিন্ন নেতাকর্মীদের করোনার টিকা নেওয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিতর্ক এড়িয়ে তিনি জানান ‘প্রধানমন্ত্রী টিকা নেওয়ার পরেই আমি টিকা নেব এটুকু বলতে পারি।”য

দিও সম্প্রতি পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের উদ্যোগে আয়োজিত এক জনসভার মঞ্চ থেকেও বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র তোপ দেগেছিলেন তিনি।

তিনি বলেছিলেন, ২০২১ সালের নির্বাচনের সময় সব বহিরাগত এসে শান্ত বাংলাকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে। লম্বা দাড়ি ও দশ লাখ টাকার স্যুট পড়লেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও অরবিন্দ হওয়া যায় না। তাইতো মঞ্চে উঠে কবির গানকে অসম্মান করেন।”

তিনি দাবি করেন, রাজ্যের জন্য মুখ্যমন্ত্রী যে সমস্ত প্রকল্প করেছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার মানুষের জন্য যা কাজ করেছেন, তার ধারেকাছে নেই মোদী সরকার।

বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড করার পর কেন্দ্রীয় সরকার আয়ুষ্মান প্রকল্প চালু করে। আসলে বাংলাকে কপি করেছে।”

পাশাপাশি নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীর উদ্দেশেও তোপ দাগেন তিনি। বলেন, “এখন টাকার থলি নিয়ে বিজেপি লোভ দেখাচ্ছে। তাতে অনেকেই চলে যাচ্ছেন। ওতে তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু যায় আসে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাই যথেষ্ট। সোশ্যাল মিডিয়া ও টুইটারে মমতার সরকারকে হেয় করার চেষ্টা চলছে। বাংলার মানুষকে ওসব টুইটার বা সোশ্যাল মিডিয়া দিয়ে ভুল বোঝানো যাবে না।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।