জলপাইগুড়ি: অবাক কাণ্ড! জলপাইগুড়িতে নিলামে তোলা হল চন্দ্রযান ২-কে৷ অবাক হলেন৷ পঞ্চাশ পাউণ্ডের বিশাল একটি কেকের নাম দেওয়া হয়েছে চন্দ্রযান ২৷ আর বিশালকায় সেই কেকই তোলা হয় নিলামে৷ পেল্লায় সাইজের এই কেক দেখার জন্য রীতিমত হইচই শহরজুড়ে৷ ‘আজব’ এই কেক দেখতে দলে দলে ভিড় জমান শহরবাসী৷ বড়দিনের আগের রাতে শহরে এই ‘অদ্ভুত’ নিলাম রীতিমতো শোরগোল ফেলে দেয়৷

জলপাইগুড়ি শহরের বাবুপাড়া এলাকায় রয়েছে একটি কেক প্রস্তুতকারী সংস্থা লর্ডস। প্রতি বছরই বড়দিনের সময় বিভিন্ন রকমের কেক বানিয়ে চমক দেয় এই সংস্থা। প্রতি বছর সংস্থাটি নতুন কী চমক আনছে তা দেখতে অপেক্ষা করে থাকেন অনেকে৷ গত বছর কলকাতা হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চের অনুকরণে কেক বানিয়ে শহরবাসীকে মুগ্ধ করেছিলেন কেক প্রস্তুতকরক সংস্থা লর্ডসের কর্মীরা। এবার ওই সংস্থার বিশেষ চমক ছিল চন্দ্রযান ২।

মঙ্গলবার বিকেল থেকে চন্দ্রযান ২ নামের ওই কেক দেখার জন্য উপচে পড়া ভিড়। কেকের সঙ্গে অনেককে সেলফিও তুলতে দেখা যায়৷ অনেকে আবার নানা দিক থেকে কেকের ছবি তুলতেই রইলেন ব্যস্ত৷ মুহুর্তে চন্দ্রযান২ কেকের সেই ছবি আপলোড করে দিলেন সোশাল মিডিয়ায়৷ কেউবা কেকের ছবি তুলেই বন্ধুদের পাঠালেন হোয়াটসঅ্যাপে৷ কেউ আবার কেকের সঙ্গে ছবি তুলে পালটে দিলেন হোয়াটসঅ্যাপ ডিসপ্লে পিকচার৷ সব মিলিয়ে মঙ্গলবার সন্ধেয় নিত্য নতুন সব অভিজ্ঞতার সাক্ষী থাকলেন জলপাইগুড়ি শহরের কেক প্রস্তুতকারক সংস্থার কর্মীরা৷ এদিন দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় আর সঙ্গে তাঁদের ছবি তোলার আবদার সামলাতে রীতিমতো হিমশিম দশা হয় সংস্থার কর্মীদের৷

কেক প্রস্তুতকারক সংস্থার কর্ণধার রঞ্জনা সাহা জানালেন, চন্দ্রযান ২ কেকটি খুবই অল্প সময়ের মধ্যে তৈরি করা হয়েছে। কেকটির অকশন মূল্য রাখা হয় ১৫ হাজার টাকা। কেকটির ওজন ৫০ পাউন্ড। কেকটি তৈরিতে লেগেছে ৭ কেজি ময়দা, ৭ কেজি চিনি, কাজু ও কিসমিস-সহ পরিমাণ মতো বিভিন্ন ড্রাই ফ্রুটস, ডিম, বাটার, মার্জারিন ও অন্যান্য উপকরণ৷

জলপাইগুড়ি শহরের রেসকোর্স পাড়া এলাকার বাসিন্দা কার্তিক সিং বলেন, বড়দিনের সময় প্রতি বছর অভিনব কেক দেখতে তাঁরাও অপেক্ষা করে থাকেন৷ বড়দিনের আগে কেক নিয়ে সংস্থার এই এক্সপেরিমেন্টের প্রশংসা করেছেন অনেকে৷