হাওড়া : ফের বন্যপ্রাণ সচেতনতার নিদর্শন রাখলেন হাওড়ার প্রত্যন্ত গ্রামের যুবকরা। মাছ ধরার জালে আটকে যাওয়া বিশালাকৃতির একটি চন্দ্রবোড়া সাপকে উদ্ধার করে বন দফতরের হাতে তুলে দিলেন এলাকার যুবকরা। ঘটনাটি ঘটেছে গ্রামীণ হাওড়ার উদয়নারায়ণপুর ব্লকের গুমগড়ে।

জানা গিয়েছে, বুধবার গুমগড়ে একটি মাছ ধরার জালে বিশালাকৃতির চন্দ্রবোড়া সাপ আটকে যায়। এই খবর পান এলাকার যুবক শিক্ষক সঞ্জীব দাস ও অপু বাগ। তাঁরা সাপটিকে বাঁচাতে উদ্যোগী হন। পরিবেশকর্মী শিক্ষক কুমারকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের মাধ্যমে খবর দেওয়া হয় বন দপ্তরে। ঘটনাস্থলে আসে বনকর্মীরা। বন দপ্তরের কর্মীরা সাপটিকে উদ্ধার করেছেন বলে জানা গেছে।

বন্যপ্রাণ বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি সংরক্ষণের ব্যাপারেও অনেক আগেই উদ্যোগী হয়েছিল হাওড়া জেলা বন দফতর৷ মূলত এক বছর আগে হুগলির কোন্নগরে বাঘরোল কান্ডের জেরে নড়েচড়ে বসে বন দফতর৷ ২৩ জানুয়ারি ২০২০তে, হাওড়াতে সচেতনতা শিবির করে হাওড়া জেলা বন দফতর৷ এরপর হাওড়া এবং হুগলির একাধিক জায়গায় বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ নিয়ে প্রচারাভিযান চালায় বন দফতর৷ বন্যপ্রাণীদের মানুষ যাতে না হত্যা করে সেই বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌছে দিতে চায় বন বিভাগ৷ হাওড়ার ফাঁসিতলা থেকে বন্যপ্রাণ সংরক্ষণ যাত্রার উদ্বোধন হয়েছিল৷ তারই ফল মিলছে এখন বলে মনে করা হচ্ছে।

ওই প্রচারের সময়, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের ব্যাপারে জেলা বন দফতরের পক্ষ থেকে একটি ট্যাবলো বের করা হয়। সেখানে বন এবং বন্যপ্রাণী সম্পর্কে বিভিন্ন ছবি তুলে ধরা হয়৷ ট্যাবলো নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে সেখানকার মানুষকে বনভূমি, বন্যপ্রাণী এবং পরিবেশ প্রভৃতি বিষয়ে সচেতন করা হয়৷ এই সম্পর্কে কারও কিছু প্রশ্ন থাকলে সাধারণ মানুষকে তা করতে বলা হয়৷ এবং বন দফতরে আধিকারিকরা সেই প্রশ্নের উত্তর দেন।

জলাজমি বুজিয়ে প্রমোটিং করা হচ্ছে। এর ফলে একদিকে যেমন বনভূমির আয়তন কমছে অন্যদিকে কমছে জলাভূমি। এই কারণে বিভিন্ন ধরনের পাখি, কাঠবেড়ালি, সাপ, কচ্ছপ বাঘরোল প্রভৃতি বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে। প্রাণীদের দেখে আতঙ্কিত হয়ে লোকালয়ের মানুষ তাদের হত্যা করে। এই সকল বন্যপ্রাণীদের মানুষ যাতে না হত্যা করে, সেই বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌছে দিতেই বন দফতরের ওই কর্মসূচি ছিল৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।