চণ্ডীগড়: দেশ জুড়ে চলছে লক ডাউন। কিন্তু তার মধ্যেও বেশ কয়েকজন মানুষ এই নিয়ম না মেনে রাস্তাতে বেরিয়ে পরছেন। সেই সকল মানুষকে ধরার জন্য এবং রাজ্য জুড়ে শান্তি বজায় রাখার জন্য এক নয়া উপায় নিয়ে এসেছে চণ্ডীগড় পুলিশ। এর ফলে রাজ্যতে লক ডাউন বজায় রাখা আর শান্তি বজায় রাখতে অসুবিধা হবে না।

ওই রাজ্যর প্রশাসনের তরফ থেকে রড দিয়ে এক নতুন ধরনের ডিভাইস তৈরি করা হয়েছে। এই রডের মুখে লাগান অংশ যারা লক ডাউন অমান্য করবেন তাদের কোমরে আটকে যাবে। ওই ডিভাইসের অপর প্রান্ত থাকবে পুলিশের হাতে। অর্থাৎ না ধরেও পুলিশ আইন অমান্য কারীদের ধরে ফেলতে পারবেন। দেশে যে হারে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তাতে আতঙ্কিত হয়ে পরছেন অনেকেই।

চিকিৎসকেরা বারবার বলছেন মেনে চলতে লক ডাউন। কিন্তু লক ডাউনের এই নিয়ম মানছেন না অনেকেই। যার জেরে সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ছে বলেও মনে করছেন অনেকে। সেই কারণেই এই ডিভাইস বানানোর কোথা ভেবেছিলেন ওই আধিকারিকেরা।

চণ্ডীগড় পুলিশ প্রধান এই ডিভাইসের ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করেছেন। আর এও জানিয়েছেন কিভাবে আইন ভাংলে এই ডিভাইস দোষীদের ধরবে। ক্যাপশনে লিখেছেন সন্দেহভাজন ব্যাক্তি এবং আইন ভঙ্গকারীদের ধরার জন্য ভালো উপায়। এই ডিভাইস বানিয়েছেন চারজন পুলিশ আধিকারিক।

পুলিশের তরফে বারবার সচেতনতা মূলক প্রচার করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ যাতে আইন না ভাঙ্গেন তার জন্য পুলিশের তরফে গ্রহন করা হয়েছে একাধিক পদক্ষেপ। তারপরেও এই জাতীয় পদক্ষেপ যারা নিচ্ছেন তাদের যাতে শাস্তি দেওয়া হয় সেই কারণে এই পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।