চণ্ডীগড়: অনুপ্রেরণা দিয়েছে অক্ষয় কুমারের প্যাডম্যান ছবিটি৷ অক্ষয়ের দেখানো পথে হেঁটেই এবার বিভিন্ন বস্তি এলাকায় স্যানিটারি ন্যাপকিন বিতরণ করছে চণ্ডীগড়ের দুই প্যাডউওমেন’৷ কোনও স্লাম এরিয়ায় বসতি হোক কিংবা অট্টালিকায়৷ পিরিয়ডস-এর দিনগুলোয় প্রতিটি মেয়েরই হাইজিনের দিকটি একইরকমভাবে খেয়াল রাখা গুরুত্বপূর্ণ৷

এখনও ভারতের পাশাপাশি পাশ্চাত্যের বহুদেশেই মেনস্ট্রুয়েশন নিয়ে কুসংস্কারের ঘেরাটোপ রয়েছে৷ বহু ভুল, ভ্রান্ত ধারণাকে সঙ্গী করেই পিরিয়ডসের দিনগুলো কাটিয়ে দেন এ সমাজের মেয়েরা৷ কিন্তু সেইসব ট্যাবু ভেঙে এগিয়ে আসারও সময় বোধহয় এবার এসে গিয়েছে৷ চণ্ডীগড়ের এই দুই কিশোরী সেই বার্তাই দিচ্ছে৷

আরও পড়ুন: বাংলার মেয়ের হলিউড জয়

একজন বছর পনেরোর জাহ্নবী সিং৷ অন্যজনের নাম লাবণ্য জৈন৷ তার বয়স সতেরো বছর৷ দু’জনে মিলে শুরু করেছে নতুন ক্যাম্পেন৷ নাম ‘স্পট ফ্রি’৷ বাজার থেকে দামি স্যানিটারি ন্যাপকিন কিনে ব্যবহার করার সামর্থ্য যাদের নেই সেইসব মেয়েদের জন্য তারা নিজেরাই স্যানিটারি প্যাড তৈরি করছে৷

এরপর তা নিয়ে বেরিয়ে পড়ছে বিভিন্ন স্লাম এরিয়ায়৷ সেখানকার পিছিয়ে পড়া মেয়েদের হাতে তুলে দিচ্ছে তারা৷ জাহ্নবী জানাল, ‘‘অক্ষয় কুমারের প্যাডম্যান দেখেই এরকম একটা ক্যাম্পেনের কথা মাথায় এসেছিল৷ আমরা ভেবেছিলাম বাজার থেকে স্যানিটারি ন্যাপকিন কিনে তা গরীব মেয়েদের দেব৷ কিন্তু সেটা দেখলাম যথেষ্ট খরচসাপেক্ষ৷ এরপরই ঠিক করি নিজেরাই স্যানিটারি ন্যাপকিন বানাব৷’’

আরও পড়ুন: প্রকাশ্য রাস্তায় তৃণমূল কর্মীকে খুন

জাহ্নবীর কথায়, ‘‘আমরা যে স্যানিটারি প্যাড তৈরি করছি একটার দাম মাত্র ২ টাকা৷ আমরা চেষ্টা করব বোর্ডিং স্কুলের বন্ধুদের এই প্যাড তৈরি করা শেখাতে৷’’ এক একটি স্যানিটারি ন্যাপকিন প্যাকেটে থাকছে ১০টি করে প্যাড৷ সেগুলিকে একটি খবরের কাগজে মুড়ে তা বিতরণ করছে জাহ্নবী, লাবণ্য৷ তাদের দু’জনেরই বক্তব্য, মেয়েদের সুস্বাস্থ্যের খেয়াল মেয়েদেরই রাখতে হবে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।