কৌশিক রায়, কৃষ্ণনগর: প্রত্যেক বছরের মতো এবারও চন্দন উৎসবে মেতে উঠেছে নদীয়ার মায়াপুর৷ অক্ষয় তৃতীয়ার দিন থেকে শুরু হয়েছে এই উৎসব। চলবে আগামী ২১ দিন। কথিত আছে চৈতন্য মহাপ্রভু ৫০০ বছর আগে পুরীর নরেন্দ্র সরোবরে রাধামহন বিগ্রহের চন্দন উৎসবে যোগদান করেছিলেন। সেই ঘটনাকে স্মরণ করে প্রতিবছরই মায়াপুরের ইসকন মন্দিরে পালিত হয় এই চন্দন উৎসব। বলা হয়, গরমের হাত থেকে রাধাকৃষ্ণকে বাঁচাতে এই চন্দন উৎসব। nadiaযেখানে প্রত্যেক দিন সকালে রাধাকৃষ্ণের গায়ে চন্দনের প্রলেপ লাগানো হয়, এবং সন্ধ্যায় চন্দ্রদয় মন্দির থেকে সংকীর্তন সহযোগে বর্ণাঢ্য শোভা যাত্রার মাধ্যমে নিয়ে আসা হয় সমাধি মন্দিরের পুস্করণীতে।চলে বিহার,আরতি,কীর্তন,ভোজন ও নৃত্যগীত। সব শেষে সেই চন্দন বিগ্রহের গা থেকে ধুয়ে ফেলা হয়। প্রত্যেক দিন বিকেল পাঁচটা থেকে আটটা পর্যন্ত চলা এই চন্দন উৎসবে যোগ দিতে বহু ভক্তের সমাগম হয়। সমাগম হয় বহু বিদেশি ভক্তের।
ইসকন এর  পক্ষ থেকে রমেশ মহারাজ জানান -গরমের জখন বিপযস্ত জন জীবন তখন ভগবানের অঙ্গে চন্দন লেপন করা হয় দেবতাকে ঠান্ডা করতে। জাতি ধর্ম নির্বিশেষে হাজার হাজার দেশি  বিদেশি ভক্তের সমাগমে মুক্ত আকাশে মুক্ত বাতাসে শান্তি,স্বস্তি এনে দেয় এই উৎসব।