স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : চার জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। হাওড়া, কলকাতা, বীরভূম ও হুগলীতে হতে পারে বৃষ্টি। বইতে পারে ঝড়ো হাওয়া। হাওয়ার গতি হতে পারে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা।

এদিন সকাল থেকে ক্রমে গরম বেড়েছে দক্ষিনবঙ্গের জেলাগুলিতে। দুপুরে অস্বস্তি আরও বেড়ে যায়। অতিরিক্ত আর্দ্রতাই এর কারণ। সেখান থেকেই স্থানীয় মেঘ জমাট বেঁধেছে এবং বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।

বৃহস্পতিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। বুধবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। বৃষ্টি হয়নি। বর্ষার মরসুম কাছাকাছি, তাই বৃষ্টি না হলেই বাড়ছে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। যা বৃহস্পতিবার ভোগাতে পারে মানুষকে। দমদমের তাপমাত্রা ২৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সল্টলেকের তাপমাত্রা ২৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বুধবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম ছিল। মঙ্গলবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। বৃষ্টি হয়েছিল ৪.২ মিলিমিটার। এতেই পারদ কিছুটা নীচে নেমেছিল। কলকাতায় ৪১ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়াও দেয়। তবে তা কালবৈশাখীর শর্ত পূরণ করেনি। দমদমের পারদ ছিল ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বৃষ্টি হয়েছে ৬.৪ মিলিমিটার। সল্টলেকের পারদ ছিল ৩০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃষ্টি হয়েছে ৮.৮ মিলিমিটার।

প্রসঙ্গত , মঙ্গলবার সকাল থেকেই দক্ষিনবঙ্গবাসীকে ভুগিয়েছে অর্দ্রতাজনিত গরম এবং সূর্যের প্রখর রোদ। বিকেল হতেই আবহাওয়া বদল হয়। ওইদিন শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। গত ২৪ ঘণ্টায় পারদ চড়ে ১ ডিগ্রি। রবিবারের নিরিখে অল্প বেড়েছিল তাপমাত্রা।

সোমবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম ছিল। মঙ্গলবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল সর্বোচ্চ ৩৬ থেকে সর্বনিম্ন ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। কলকাতা পার্শ্ববর্তী দমদমের তাপমাত্রা ৩১.৮ ও সল্টলেকের তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।বুধবার সন্ধ্যায় হাওড়া, দুই ২৪ পরগনাতেও বৃষ্টি হয়। ঝড়ো হাওয়াও দেয়।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প