নয়াদিল্লি : দেশে অব্যাহত মারণ করোনার(Second wave of Coronavirus) দাপট। অদৃশ্য ব্যাধির দ্বিতীয় ধাক্কায় বেসামাল জনজীবন। চারিদিকে শুধুই ত্রাহি ত্রাহি রব। কঠিন এই পরিস্থিতিতে করোনাকে বাগে আনতে দেশজুড়ে গণটিকাকরণ (Vaccination) আর সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলায় ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার একমাত্র উপায়। তা মানছেন দেশের তাবড় তাবড় চিকিৎসকরাও।

আর এই অবস্থায় ভ্যাকসিন নিয়ে আশঙ্কার মধ্যে আশার আলো দেখাচ্ছেন দিল্লির ইন্দ্রপ্রস্থ অ্যাপোলো হাসপাতালের (Indraprastha Apollo Hospital) একদল বিশেষজ্ঞ। সম্প্রতি স্বাস্থ্য সংক্রান্ত মেডিক্যাল জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় রাজধানীর অ্যাপেলো হাসাপাতালের গবেষকরা দেখিয়েছেন যে, সম্পূর্ণ ভ্যাকসিন নেওয়ার পর হাসপাতালে করোনা সংক্রমিত রোগীদের ভরতির চান্স থাকে মাত্র ০.০৬ শতাংশ। এছাড়াও টিকা গ্রহণের পর ৯৭.৩৮ শতাংশ ব্যক্তি এই মারণ ভাইরাসের কবল থেকে রক্ষা পেয়েছেন।

এই বিষয়ে অ্যাপোলো হাসপাতাল গ্রুপের মেডিক্যাল ডিরেক্টর ডঃ অনুপম সিবাল (Dr. Anupam Sibal) জানিয়েছেন, কোভিশিল্ড (Covishield) দেওয়ার ১০০ দিনের মধ্যে মোট ৩,২৩৫ জন স্বাস্থ্যকর্মীর(Health workers) উপর এই সমীক্ষা চালানো হয়েছিল।

তিনি আরও জানান, সমীক্ষা চলাকালীন অবস্থায় মাত্র ৮৫ জন স্বাস্থ্যকর্মী (COVID-19 infected) এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। আর এদের মধ্যে ৬৫ শতাংশ কর্মীকে (২.৬২) টিকার সম্পূর্ণ ডোজগুলি দেওয়া হয়ে গিয়েছিল। শুধু তাই নয়, ২০ শতাংশ স্বাস্থ্যকর্মীকে (২.৬৫) প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছিল। সমীক্ষায় মহিলারা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি প্রভাবিত হয়েছিল এবং বয়স এই সংক্রমণের প্রকোপকে প্রভাবিত করে না।

অন্যদিকে, রবিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান সেই কথাই বলছে। তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ১১ হাজার ১৭০ জন। শনিবারের তুলনায় অনেকটাই কমেছে আক্রান্তের সংখ্যা। শনিবার ৩ লক্ষ ২৬ হাজার ৯৮ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন। এই নিয়ে পরপর ৩ দিন কমল আক্রান্তের সংখ্যা। গত কয়েকদিন যাবৎ দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা রয়েছে ৪ লক্ষের নিচেই। নিঃসন্দেহে এটি কিছুটা স্বস্তিদায়ক। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা অবশ্য বেড়েছে। শনিবার যেখানে ৩ হাজার ৮৯০ জনের মৃত্যু হয়েছিল সেখানে রবিবার ৪ হাজার ৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে আশা জাগাচ্ছে দৈনিক সুস্থতার হার। শনিবারের তুলনায় সুস্থতার হার বৃদ্ধি পেয়েছে। সুস্থতার হার রবিবার দৈনিক সংক্রমণের থেকেও বেশি। শনিবার যেখানে ৩ লক্ষ ৫৩ হাজার ২৯৯ জন মানুষের সুস্থতার খবর এসেছিল, রবিবার জানা গেল গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ লক্ষ ৬২ হাজার ৪৩৭ জন সুস্থ হয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.