বাড়িতে অতিথি এলেই তাঁদের খাতির যত্ন করা আমাদের রীতি। অতিথি দেব ভব। এই কথা মেনেই জল খাবার আতিথেয়তার সঙ্গে আমরা তাঁদের স্বাগত যানাই। কিন্তু সবসময় এটা ঠিক নয়। বরং কিছু মানুষ আছেন, যাদের বাড়িতে প্রবেশ করতে দেওয়াই উচিত নয়। চাণক্য তাঁর নীতিতে তেমনই বলেছেন।

দেখে নিন কারা বাড়িতে এলে আতিথেয়তা করার প্রয়োজন নেই।

১) যে সব মানুষ মুখে এক আর মনে আর এক তাদের থেকে দূরে থাকুন। অনেকেই আছেন যারা আপনার সামনে অত্যন্ত সৎ এবং মিষ্টভাষী। কিন্তু আপনি পিছন ফিরলেই আপনার সম্পর্কে খারাপ বলেন। এরকম মানুষদের আপ্যায়ণ করবেন না।

২) ষড়যন্ত্রকারী মনোভাবের মানুষদের এড়িয়ে চলুন। এরা সবসময়ই মাথায় চালাইয় অন্যের ক্ষতি করতে বা অন্যকে সমস্যায় ফেলতে। এই ধরনের মানুষকে ভুলেও বাড়িতে ঢুকতে দেবেন না।

৩) কিছু মানুষ আছে যাদের আপনি হাজার বার ডাকলেও খুঁজে পাবেন না। কিন্তু দরকারের সময় তাঁরা ঠিক আপনার কাছে চলে আসবেন। এই ধরনের সুবিধাবাদী মানুষের থেকে শতহস্ত দূরে থাকুন।

৪) যেসব মানুষ আপনার সততার সুযোগ নেয়, আবার সেই সততা নিয়েই ঠাট্টা ইয়ার্কি করেন তাদের স্বাগত জানাবেন না।

৫) আপনার সঙ্গে হয়তো সে ভালো আচরণ করছে। কিন্তু অন্য কোনও নির্দোশ মানুষকে অহেতুক আঘাত করে চলেছে বা তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। এমন মানুষ খুব সাংঘাতিক। আজ অন্যদের সঙ্গে করছে। কাল আপনার সঙ্গেও করতে পারে।

৬) যে মানুষ বেদ সম্পর্কে কিছু জানেন না। বেদকে প্রতি মুহূর্তে অবমাননা করে চলেন। বেদ পড়ার কোনও ইচ্ছেও রাখেন না। এদের মধ্যে মর্যাদা বোধকম থাকে। এদের বাড়িতে প্রবেশ করতে দেবেন না।

৭) যে সব মানুষ আপনার বাড়ির মানুষের সম্পর্কে আপনাকে কুমন্ত্রণা ও নেতিবাচক কথা শোনায় তাঁদের থেকে দূরে থাকুন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।