কলকাতা: করোনা আক্রান্ত টলিপাড়ার অভিনেত্রী চৈতী ঘোষাল। তিনি বাড়িতেই আইসোলেশনে আছেন বলে জানা গিয়েছে। অল্প জ্বর ছিল তাঁর, তবে এখন আগের তুলনায় ভালো আছেন।

বিস্ফোরক অভিযোগে তিনি একটি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, টেলিপাড়ায় বহু জন রোগ লুকিয়ে কাজ করছেন। ফলে সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। চৈতি নিজে অবশ্য করোনা ভ্যাকসিন নিয়েছিলেন। কিন্তু তাও করোনায় আক্রান্ত হওয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারেননি অভিনেত্রী।

অভিনেত্রী জানিয়েছেন, যারা এ কদিনে তাঁর সংস্পর্শে এসেছেন, তারা যেন অতি অতিসত্বর নিজেদের টেস্ট করান। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, “আমাদের মধ্যে অনেকেই পরীক্ষা করাচ্ছেন না, অনুগ্রহ করে নিজেদের যত্ন নিন।”

 

তাঁর করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবরে দ্রুত সেরে ওঠার প্রার্থনা করেছেন তাঁর ফ্যানেরা। সকলেই জানিয়েছেন, তাঁদের বিশ্বাস খুব শীঘ্রই অভিনেত্রী আবার বাউন্স ব্যাক করবেন। এছাড়াও কয়েকজন বলেছেন, অভিনেত্রী যেন চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলেন।

প্রসঙ্গত, টলিউডে ইতিমধ্যেই আবীর চট্টোপাধ্যয়ায় সহ একাধিক সেলিব্রিটি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তও। সিঙ্গাপুরে থাকাকালীন করোনা আক্রান্ত হন তিনি।

এছাড়া সম্প্রতি আক্রান্ত হয়েছেন অভিনেতা জিৎ। কোভিড আক্রান্ত হওয়ার খবর তিনি নিজেই জানিয়েছেন তাঁর সোশ্যাল সাইটে। এছাড়া তিনি এও জানিয়েছেন আপাতত তিনি হোম আইসোলেশন নিজেকে রেখেছেন। আপাতত চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে সমস্ত রকম মেডিকেল বিধি সতর্কতার মধ্যে রয়েছেন তিনি। তিনি সবাইকে অনুরোধ করেছেন যারা যারা এর মধ্যে সম্প্রতি তার সংস্পর্শে এসেছে বা তাঁর সঙ্গে কাজে ব্যস্ত ছিল তাঁদের সবাইকেই কোভিড টেস্ট করানোর কথা।

টলিউডের মতো বলিউডেও এসেছে সংক্রমণের স্রোত। করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ক্যাটরিনা কাইফ, অক্ষয় কুমার, ভিকি কৌশল, ভূমি পেডনেকার, আমির খান, সতীশ কৌশিক, সোনু সুদ, রণবীর কাপুর, আলিয়া ভাট, সঞ্জয় লীলা বানসালি। এরপরে প্রত্যেকে করোনা মুক্ত হয়ে আবার যোগ দিয়েছে কাজে। কিন্তু করোনা সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে তাতে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে সেলিব্রিটি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের কপালে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.