পাটনা: স্ত্রী’র সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হওয়ার পর থেকেই পরিবারের থেকে দূরে চলে গিয়েছেন লালুপ্রসাদের ছেলে তেজপ্রতাপ যাদব। এমনকি ঘরও ছাড়তে হয়েছে তাঁকে। এবার অবশেষে তিনি পেলেন ঘর। আর সেই ঘর পেতে সাহায্য করলেন নীতিশ কুমার।

গত জুলাইতে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেওয়ার পর ৭-এম স্ট্র্যান্ড রোডে কিছুদিন ছিলেন নীতিশ কুমার। পরে বিজেপির সঙ্গে যৌথভাবে সরকার গঠনের পর মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে চলে যান তিনি। ১০, সার্কুলার রোড বাংলো, যেখানে যাদবন পরিবার থাকে, সেখান থেকে খুব একটা দূরে নয় সেই বাংলো। এতদিন ফাঁকাই ছিল সেই বাংলো। লালুর অনুমতি নিয়ে তেজ প্রতাপকে সেখানেই থাকতে দিলেন নীতিশ।

অনেক দিন ধরেই নতুন বাড়ির জন্য আবেদন জানাচ্ছিলেন তেজপ্রতাপ। এমনকি বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন মিনিস্টারের সঙ্গে দেখাও করেন তিনি। কিন্তু কেউই তাঁকে সাহায্য করতে রাজি হয়নি। এরপরই নীতিশ কুমারের সঙ্গে যোগাযোগ করার কথা তাঁর মাথায় আসে। ফোন করে তিনি বলেন, ”চাচা মুঝে ঘর নেহি মিলেগা?”

তেজপ্রতাপের এই আর্তিতে সাড়া দিয়ে নীতীশ কুমার তাঁর ছেড়ে আসা বাসভবনটিতে তাঁকে থাকতে দেওয়ার ব্যবস্থা করে দেন। চলতি বছরের শুরুতেই তেজপ্রতাপ বলেছিলেন যে তিনি তাঁর বাড়িতে প্রবেশ নিষেধ বোর্ড টাঙিয়ে রাখবেন। এটা ছিল নীতীশ কুমারের জন্যই। কিন্তু তেজপ্রতাপ সদ্য স্ত্রী ঐশ্বর্য রাইয়ের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের পরিকল্পনা করেন। যা মেনে নিতে রাজি হয়নি যাদব পরিবার।

লালু-নীতিশের জোট ভেঙে যাওয়ার পর যাদব পরিবারে নীতিশের কোনও জায়গা ছিল না। তবে দীর্ঘদিনের পারিবারিক সম্পর্কের ফলে যোগাযোগ থেকে গিয়েছিল। এমনকি মাসছয়েক আগে তেজ প্রতাপের বিয়েতেও গিয়েছিলেন নীতিশ। লালুর সঙ্গে এক ফ্রেমে ছবিও তোলেন তিনি।

তবে ডিভোর্সের সিদ্ধান্তের পর তেজপ্রতাপের সঙ্গে পরিবারের সম্পর্ক খারাপ হয়। তাঁর দাবি স্ত্রী ঐশ্বর্য তাঁর একেবারে বিপরীত চরিত্রের। আর সেইজন্যই একসঙ্গে থাকতে চান না তিনি। পরিবার তাঁকে বিয়ে টিইয়ে রাখতে চাও দিলে তিনি বাড়ি ছাড়েন।