স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মোটা অংকের বিদ্যুৎ বিল আসা নিয়ে সিইএসসি যে ব্যাখ্যা দিয়েছিল তাতে সন্তুষ্ট হল না রাজ্য সরকার। সোমবার ক্রেতা সুরক্ষা দফতর তাদের নোটিশ পাঠাচ্ছে বলে খবর।

সিইএসসি কর্তৃপক্ষের সাফাই, লকডাউনের সময় প্রভিশনাল বিল তৈরি হয়েছিল আগের ছ’মাসের গড় বিলের হিসেবে। মিটার রিডিংয়ের পরে পুরো বিদ্যুৎ খরচ আসছে। তাই টাকাটা বেশি। তবে একই সঙ্গে বৃহস্পতিবার জুলাইয়ের বিল মেটানোর সময় ১০ দিন বাড়িয়েছে তারা।

তারা জানিয়েছে, চাইলে গ্রাহক তিন কিস্তিতেও টাকা দিতে পারবেন। অনেকের প্রশ্ন, বিলের হিসেব নিয়েই যেখানে বিভ্রান্তি, সেখানে কিস্তি কেন? গ্রাহকদের দাবি, আগেও গ্রীষ্মকাল এসেছে। এতদিন একইরকম বৈদ্যুতিন সামগ্রী ব্যবহার করেও এত বিল আসেনি। তাহলে চলতি বছর এত টাকা বিল আসছে কেন? যদিও এর সদুত্তর দিতে পারেনি সিইএসসি কর্তৃপক্ষ।

ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের সঙ্গে সিইএসসি কর্তৃপক্ষ সংঘাত বেঁধেছে। সূত্রের খবর, সিইএসসি’কে অ্যাডভাইজরি পাঠাতে চলেছে নবান্ন। তাতে বলা হবে, আগামী এক মাসের মধ্যে বিলের ভুল ত্রুটি ঠিক করতে হবে। ওই সময়ের মধ্যে কোনও গ্রাহকের ক্ষেত্রে বিল বাবদ টাকা নেওয়া যাবে না।

এছাড়া, যদি কোনও গ্রাহক অতিরিক্ত বিল জমা দিতে না পারেন, তাহলে তাঁর বিদ্যুতের লাইন কাটতে পারবে না। এবার ক্রেতা সুরক্ষা দফতর তাদের নোটিশ পাঠাচ্ছে। ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে বলেন, “লকডাউনের ফলে ঠিকমতো মিটার রিডিং নেওয়া হয়নি। তা সত্ত্বেও অতিরিক্ত বিলের বোঝা সাধারণ মানুষের উপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।”

জানা গিয়েছে, ওইদিন সিইএসসি’র সদর দফতর ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে বিক্ষোভ দেখাবে রাজ্যের বিদ্যুৎ গ্রাহকদের সংগঠন অ্যাবেকা। প্রসঙ্গত, লক ডাউন পরবর্তী সময়ে অস্বাভাবিক বিল নিয়ে অনেক অভিযোগ আসছে। গ্রাহকদের হয়রানি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।

বাড়তি বিদ্যুতের বিল নিয়ে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষোভ জানাতে শুরু করেছেন গ্রাহকরা। তাঁরা বিলের অঙ্ক জানিয়ে প্রতিকার চেয়েছেন। এমনকি খোদ বিদ্যুৎমন্ত্রীর এমাসে চার গুন বেশি বিল এসেছে।এরপরই নড়েচড়ে বসেছে রাজ্য সরকার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।