কলকাতা: ৯৭ শতাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ ফিরেছে৷ দাবি ক্যালকাটা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কর্পোরেশন বা সিইএসসি কর্তৃপক্ষের৷ মঙ্গলবার সিইএসসি দফতর থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থার ভাইস প্রেসিডেন্ট (ডিস্ট্রিবিউশন) অভিজিৎ ঘোষ। সিইএসসির গ্রাহক সংখ্যা ৩৩ লক্ষের বেশি৷ ৯৭ শতাংশ গ্রাহকের কাছে বিদ্যুৎ ফিরেছে বলে সিইএসসি দাবি করেছে৷ কিন্তু এখনো প্রায় এক লক্ষ গ্রাহকের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছয়নি বলে অভিযোগ৷

এদের কাছে কত দিনে বিদ্যুৎ ফিরবে,তা নিশ্চিত করে বলতে পারেনি সিইএসসি কর্তৃপক্ষ৷ সংস্থার ভাইস প্রেসিডেন্ট (ডিস্ট্রিবিউশন) অভিজিৎ ঘোষ জানালেন, ১৪৮টি টিম দিনরাত কাজ করছে৷ এলাকা ধরে ধরে কর্মীরা কাজ করছেন৷ দুর্যোগ মোকাবিলার পরিকল্পনা করা ছিল৷ সেই পরিকল্পনা অনুযায়ীই কাজ চলছে৷ ধাপে ধাপে কর্মী সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে৷

এই মূহুর্তে প্রায় ১৫০টি টিম দিনরাত কাজ করছে৷ প্রায় ৫ হাজার কর্মী রয়েছে৷ ঝড়ের কারণে বড় ক্ষয়ক্ষতি হয়ে গিয়েছে৷ যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কাজ করে চলেছি। আর একটু সহযোগিতার আবেদন অভিজিৎ ঘোষের৷ আমফানের ৬ দিন পরেও আসেনি বিদ্যুৎ ও জল, কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় চলছে অবরোধ- বিক্ষোভ৷

জানা গিয়েছে, বাঁশদ্রোণী এলাকায় সাময়িক ভাবে বিদ্যুৎ এলেও ফের অন্ধকারে গোটা এলাকা৷ এরপরই মঙ্গলবার দুপুরে সেখানকার বাসিন্দারা শুরু করে অবরোধ- বিক্ষোভ৷ স্থানীয়দের অভিযোগ , সূর্যনগরের কাছে সাময়িক ভাবে বিদ্যুৎ পরিষেবা চালু হলেও ফের তার জ্বলে যায়,ফলে ফের বিদ্যুৎহীন হয়ে পরে গোটা এলাকা৷ তারপর এন এস সি বোস রোড অবরোধ করে জল ও বিদ্যুতের দাবিতে চলে বিক্ষোভ৷

গত কয়েক দিনের মতো এ দিনও বেহালা, বাঘাযতীন, গড়িয়া, নেতাজিনগর, টালিগঞ্জের একাংশে বিদ্যুৎ না আসায় চলে বিক্ষোভ। গড়িয়ার পুতুল পার্কের কাছে জল-বিদ্যুতের দাবিতে চলে বিক্ষোভ। গরফার আশুতোষ পল্লিতেও নেই জল বিদ্যুৎ৷ বেহালার সেনআটি, শকুন্তলা পার্ক, কালীপুর, পর্ণশ্রী সরশুনায় গত ছ’দিন ধরে বিদ্যুৎহীন৷ বাসিন্দাদের অভিযোগ, এটা সিইএসসি-র কাজ। আমাদের নয়।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব