কলকাতা:  ৭২ ঘন্টারও বেশি সময় ধরে বন্ধ বিদ্যুৎ। ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যেও। বিভিন্ন প্রান্তে চলছে ক্ষোভ-বিক্ষোভ। ক্ষুব্ধ খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সিইএসসি’র ভূমিকা নিয়ে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমন পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের অসুবিধার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিল সিইএসসি।

শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করে সংস্থার ভাইস প্রেসিডেন্ট (ডিস্ট্রিবিউসন) অভিজিৎ ঘোষ দুর্ভোগের জন্য গ্রাহকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন। একইসঙ্গে লকডাউনের কারণে কর্মী কম থাকায় পরিষেবা চালু করতে অস্বাভাবিক দেরি লাগছে তাও কার্যত মেনে নিয়েছেন সিইএসসি।

অভিজিৎ ঘোষ জানান, প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বিদ্যুৎের পরিকাঠামোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির হয়েছে৷ প্রচুর গাছ পড়ে পরিস্থিতিকে আরও ভয়ঙ্কর করে তুলেছে। বড় রাস্তা তো বটেই, ছোট গলি সহ বিভিন্ন জায়গাতে প্রচুর গাছ পড়ে রয়েছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পড়ে যাওয়া গাছের চাপে বিদ্যুৎের খুঁটি উপড়ে গিয়েছে তো আবার কোথাও তার ছিঁড়ে গিয়েছে। সেই কারণে গাছ না সরানো পর্যন্ত লাইন সরবরাহ চালু করা যাচ্ছে না বলে দাবি সিইএসসির।

তবে সংস্থার দাবি, মূল কলকাতায় যেহেতু ভূগর্ভস্থ লাইন দিয়েই বিদ্যুৎ পরিষেবা দেওয়া হয়, তাই সেখানে বিদ্যুৎ বিভ্রাট সেভাবে হয়নি৷ কিন্তু টালিগঞ্জ, গড়িয়া, বেহালা, দমদম, লেক টাউন, যশোর রোডের মতো বৃহত্তর কলকাতায় পরিষেবা এখনও স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়নি বলে মেনে নিয়েছে সংস্থা। পাশাপাশি আরও একটি কারণ হিসাবে সিইএসসি জানাচ্ছে, পর্যাপ্ত লোক।

তাঁদের দাবি, লকডাউনের কারণে তাঁদের বহু কর্মীই কাজে যোগ দিতে পারছিলেন না৷ ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস পেয়ে তাঁদের অনেককেই কর্মস্থলে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করেছিল সংস্থা৷ কিন্তু এরপরেও পরিষেবা স্বাভাবিক করতে যে পরিমাণ কর্মী প্রয়োজন, তার তুলনায় কর্মী কম হয়ে গিয়েছে বলেও দাবি সিইএসসির।

সিইএসসি জানিয়েছে, যে সমস্ত জায়গায় বিদ্যুৎ নেই। সেখানে দ্রুত জেনারেটারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। জেনারেটর বসিয়ে ছোট পাম্পিং স্টেশনগুলি চালানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি, কিছু এলাকা, আবাসনেও জেনারেটর পাঠানোর তালিকা সিইএসসি তৈরি করছে বলে জানিয়েছেন অভিজিৎ ঘোষ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।