ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কেন্দ্রের নয়া অর্ডিন্যান্সে জানিয়ে দেওয়া হয়, চিটফান্ড সংক্রান্ত যাবতীয় মামলার তদন্ত করবে শুধু সিবিআই৷ গত ২১ ফ্রেবরুয়ারি এই সংক্রান্ত একটি অর্ডিন্যান্স জারি করে কেন্দ্র।

এবিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী অরিন্দম দাস জানান, চিটফান্ড সংক্রান্ত যে কোনও অভিযোগ শোনার জন্য নিযুক্ত হবেন সচিব পর্যায়ের এক বা একাধিক আধিকারিক। কাশ্মীর ছাড়া সারা দেশের যে কোনও জায়গা থেকে অভিযোগ এলেই এই কমিটি তদন্ত করবে। যে কোনও অভিযুক্তকেই সমন জারি করে ডেকে পাঠানো বা তার ডকুমেন্ট যাচাই করার অধিকার থাকবে কমিটির।

বিভিন্ন চিটফান্ড মামলায় অনেক সময় ব্যাংক বা কোনও কোম্পানির কাছ থেকে লোন নিলে সেই টাকা আগে ফেরত দিতে হত। এক্ষেত্রে আমানতকারীকে টাকা ফেরত দেওয়াই হবে প্রথম এবং প্রধান কাজ। এরাজ্য এই ধরনের একটি আইন এনেছিল ২০১৫ সালে। সেখানে বলা হয়েছিল চিটফান্ড সংক্রান্ত তদন্তের জন্য রাজ্যের অনুমতি প্রয়োজন। নতুন অর্ডিন্যান্সে এসবের কোন প্রয়োজন থাকছে না। আইনে স্পষ্ট বলা হয়েছে সিবিআই একমাত্র এর তদন্ত করতে পারবে।

যেকোন ধরনের বিজ্ঞাপনেও থাকছে কড়া নিষেধাজ্ঞা। চিটফান্ডের বিজ্ঞাপন দেখে কেউ প্রতারিত হলে সেই সংবাদ মাধ্যমকে নতুন করে বিজ্ঞাপন দিয়ে পুরনো ভুল শুধরে নিতে হবে।

ফাইল ছবি

গত ১৩ ফ্রেবরুয়ারি লোকসভায় এটি পাশ হলেও রাজ্যসভায় বিল পাশ হয়নি। তারপরই কেন্দ্র সরকার অর্ডিন্যান্স জারি করে। চিটফান্ড সংক্রান্ত মামলার আইনজীবী অরিন্দম দাস বলেন, “কেন্দ্রের এই আইনের ফলে রাজ্যের যে আইন ছিল তার গুরুত্ব আদৌ থাকছে কিনা সে প্রশ্ন উঠছে। ” আইনজীবী মহলের ব্যাখ্যা, তদন্ত নিয়ে একাধিক প্রশ্নের সঠিক উত্তর স্পষ্ট নয় অর্ডিন্যান্সে। তবে নতুন আইনে রাজ্যের সঙ্গে যে সংঘাত হবে এমনটাই মনে করছে বিভিন্ন মহল৷