নয়াদিল্লি: দেশজুড়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা। করোনা রোগীদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রয়োজন রেমডেসিভির। এদিকে করোনা পরিস্থিতি যেভাবে উত্তরোত্তর বাড়ছে তাতে ওষুধের জোগান আসছে না। এই পরিস্থিতিতে রেমডিসিভারের আমদানি শুল্ক মুকুব করল কেন্দ্র। এই ড্রাগ তৈরির কাঁচামালের ক্ষেত্রেও কোনও আমদানি শুল্ক ধার্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে।

কেন্দ্র সরকারের এই উদ্যোগ রেমডেসিভিরের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি তার দাম অনেকটাই কমাবে বলে মনে করা হচ্ছে। একটি নোটিস জারি করে শুল্ক দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, কেন্দ্র সরকার জনগণের প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর কাঁচামাল যখন ভারতে এসে পৌঁছয় তখন তার উপরও কোনও শুল্ক লাগু হবে না। এখনও পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে এই বছর অক্টোবর পর্যন্ত এই নিয়ম কার্যকর থাকবে। রেমডেসিভির সক্রিয় ফার্মাসিউটিক্যাল উপাদান (API), ইনজেকশন রিমডেসিভির এবং বিটা সাইক্লোডেক্সট্রিনগুলির উপর শুল্ক মকুব করেছে কেন্দ্র। বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল টুইট করে জানিয়েছেন, করোনা রোগীদের জন্য চিকিৎসা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে অগ্রগণ্য। তাই রেমডেসিভির এপিআই, ইনজেকশন এবং নির্দিষ্ট কিছু জিনিসের উপর আমদানি শুল্ক ধার্য হবে না। এর ফলে সরবরাহ বাড়বে। পাশাপাশি এই ড্রাগের দামও কমবে।

কোভিডের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় রেমডেসিভির। করোনা প্রতিরোধে বিভিন্ন দেশে এই অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ সরবরাহও করা হয়েছে। কিন্তু করোনার দ্বিতীয় ঢেউ দেখা দেওয়ার পর দেশে উত্তরোত্তর বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে দেশে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে এই ওষুধ। বর্তমানে দেশের করোনা সংক্রমণ তিন লক্ষ ছুঁই ছুঁই। আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। ফলে কোভিড রোগীর চিকিৎসায় ব্যবহূত রেমডেসিভির ইনজেকশনের চাহিদা হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী দিনে এই চাহিদা আরও বাড়ার সম্ভাবনা। দেশের হাসপাতালগুলোর চাহিদার দিকে নজর রেখে রেমডেসিভির ইনজেকশন এবং এর কাঁচামালের রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সরকার এর উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যাতে এর চাহিদা বাড়ে ও দাম কমে তার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। প্রতি মাসে ৮০ লক্ষ রেমডেসিভির প্রস্তুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বসে সরকারি তরফে খবর।

রেমডেসিভির দাম ইতিমধ্যেই কমিয়ে আনা হয়েছে। ক্যাডলাক হেল্থকেয়ার REMDAC (Remdesivir 100 mg) -এর দাম ২ হাজার ৮০০ টাকা থেকে কমিয়ে ৮৯৯ টাকা করেছে। ড. রেড্ডিস ল্যাবরেটরি REDYX-এর দাম ৫ হাজার ৪০০ টাকা থেকে কমিয়ে করেছে ২ হাজার ৭০০ টাকা। সিপলা CIPREMI-এর দাম ৪ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ৩ হাজার টাকা করেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.