নয়াদিল্লি: মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের পক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি গাইডলাইন অনুযায়ী প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষায় অন্তর্ভুক্তি করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ই কনটেন্ট (e content) তৈরি করার কথা বলেছে। ওই গাইডলাইন ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল (Ramesh Pokhriyal) অনুমোদন দিয়েছেন। ১৭ মে ২০২০ থেকে চালু হওয়া প্রধানমন্ত্রী ই বিদ্যার (মূলত অনলাইন শিক্ষার জন্য গঠিত এই উদ্যোগ) আওতায় প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য ই কনটেন্ট তৈরির কথা বলা হয়েছে যেন তারা অনলাইন মাধ্যম থেকেও শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।

“ই কনটেন্টের (e content) মধ্যে পাঠ্য, বিভিন্ন ছবি, ডায়াগ্রাম, অডিও, ভিডিও ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এবং বিভিন্ন ডিজিটাল প্লাটফর্মে এই গুলো ব্যবহার করা যাবে” কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের সূত্রে এমনটাই বলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের প্রস্তাব অনুযায়ী বলা হয়েছে যে শিক্ষা সংক্রান্ত প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষাগত চাহিদার কথা মাথায় রেখে এইগুলি তৈরি করা প্রয়োজন এবং প্রথাগত পাঠ্য বইকে সহজে ব্যবহারযোগ্য ডিজিটাল পাঠ্য বইতে পরিণত করাও প্রয়োজনীয়।

“সহজে ব্যবহারযোগ্য ডিজিটাল পাঠ্য বইগুলি একাধিক বিন্যাসে (অডিও, ভিডিও, সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ ইত্যাদি) টার্ন অন ও টার্ন অফ বৈশিষ্ট্য সহ সরবরাহ করা উচিত।এবং প্রতিবন্ধী শিশুদের কাছে যেন এই সম্সত বিষয়গুলো সহজে বোধগম্য হয় এবং উপাদান ও অনুশীলনীগুলো যেনো তারা সহজে ব্যবহার করতে পারে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে অ্যাক্সিসেবল ডিজিটাল টেক্সটবুক (Accessible Digital Textbook) গুলো তৈরি করতে হবে এক্ষেত্রে NCERT এর অভিজ্ঞতাও কাজে লাগানো যেতে পারে।” এমনটাই বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় গাইডলাইনে। এর সঙ্গে কমিটি নির্দিষ্ট প্রস্তাব দিয়েছে বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধী শিশুদের ক্ষেত্রে যেমন অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার (Autism sprctrum disorder), স্পেসিফিক লার্নিং ডিসেবিলিটি (specific learning disabilities), অন্ধত্ব (blindness), দুর্বল দৃষ্টি (lower vision), কানে শুনতে না পাওয়া সব ধরনের প্রতিবন্ধী শিশুদের কথা মাথায় রেখেই এইগুলো তৈরি করতে হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.