নয়াদিল্লি : সরকারি ছাড়াও বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতাল (list of private hospitals) থেকে মিলবে করোনা ভ্যাকসিন। তবে কোন কোন হাসপাতালে গেলে বেসরকারি ভাবে পাবেন করোনা টিকা, তার তালিকা প্রকাশ করল কেন্দ্র (Centre releases list)। সোমবার অর্থাৎ পয়লা মার্চ থেকে বয়স অনুযায়ী করোনা ভ্যাকসিন (COVID-19 vaccination drive) দেওয়া শুরু করা হচ্ছে। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের আওতায় ১০ হাজারটি হাসপাতাল ও কেন্দ্র সরকারের স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় ৬৮৭টি হাসপাতালে করোনা টিকা দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, করোনর দ্বিতীয় পর্বের টিকাকরণের আগে কো-উইন ২.০ অ্যাপটি ডাউনলোড করলে সুবিধা মিলবে। এছাড়াও আরোগ্য সেতুর মতো অ্যাপের মাধ্যমেও করোনার টিকা নিতে আগাম নাম নথিভুক্ত করা যাবে। এই অ্যাপগুলির মাধ্যমেই সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে দ্বিতীয় পর্যায়ে করোনার টিকাকরণ কবে হবে এবং তার সময় জানা যাবে। টিকাকরণের এই পর্যায়ে দেশের বিপুল নাগরিক অংশগ্রহণ করতে পারবেন। সাধারণ নাগরিক ছাড়াও ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কার যারা প্রথম পর্বের করোনার টিকা কোনও কারণে নিয়ে উঠতে পারেননি, তাঁরাও টিকা নিতে পারবেন। প্রতিটি রাজ্যকে তাদের সাধ্যমতো করোনার টিকাকেন্দ্র তৈরি করতে পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্র।

পয়লা মার্চ থেকে সারা দেশ জুড়ে করোনা টিকাকরণ শুরু হচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে কোন কোন হাসপাতালে টিকা মিলবে, তা অনলাইনে জানা যাবে। এজন্য দুটি লিংক দেওয়া হয়েছে।

১. https://www.mohfw.gov.in/pdf/CGHSEmphospitals.xlsx

২. https://www.mohfw.gov.in/pdf/PMJAYPRIVATEHOSPITALSCONSOLIDATED.xlsx

সরকারের তরফে ভ্যাকসিনের প্রতি ডোজের দাম ২৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশের ১০ হাজার সরকারি হাসপাতালে ও ২০ হাজার বেসরকারি হাসপাতালে টিকা দেওয়া হবে। তবে এর জন্য গ্রহীতাকে আগে থেকে অ্যাপয়েনমেন্ট নিতে হবে। টিকাকরণের সময় বয়সের প্রমাণপত্র (আধার কার্ড বা EPIC কার্ড) দেখাতে হবে। এছাড়া কো-মর্বিডিটি থাকলে তার তথ্যও দেখাতে হবে।

প্রথম পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মী ও ফ্রন্টলাইন ওয়ার্কারদের টিকা দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ে ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি ও শারীরিক অসুস্থতা রয়েছে এমন ব্যক্তিদের করোনা টিকা দেওয়ার কথা স্থির হয়। কো-মর্বিডিটির ২০টি তালিকা সরকারের তরফে প্রকাশ করা হয়েছে। যার মধ্যে থাকছে গত এক বছরে হার্ট ফেলের সমস্যা, হৃদযন্ত্রের অন্য কোনও সমস্যা, ডায়াবিটিস, হাইপারেনশন, স্ট্রোক, কিডনি/ লিভার/ স্টিম সেল ট্রান্সপ্ল্যান্ট ইত্যাদি একাধিক বিষয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।