নয়াদিল্লি: প্রভাকরণ জমানা শেষ৷ দয়া মাস্টার নেই৷ প্রভাকরণের নাবালক পুত্রও গুলিতে মারা গিয়েছে৷ মেরুদণ্ড গুঁড়িয়ে গিয়েছে শ্রীলংকার জঙ্গি সংগঠন এলটিটিই-এর৷ তবুও তারা নতুন করে সক্রিয় তামিলনাড়ুতে৷ চিন্তিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জঙ্গি সংগঠনটির নিষিদ্ধ করার সময় সীমা আরও বাড়িয়ে দিল৷ একটি বিজ্ঞপিত জারি করে এই বার্তা দেওয়া হয়েছে৷

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভারতের ঐক্যকে ভাঙন ধরাতে ফের তৎপর শ্রীলংকার তামিল জঙ্গি সংগঠন এলটিটিই৷ তামিলনাড়ুতে তাদের সংগঠনের কয়েকজনের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে নতুন করে৷ সংবাদ সংস্থা এএনআই জানাচ্ছে এই খবর৷

আরও পড়ুন : দিল্লিতে হামলার পরিকল্পনা, শ্রীনগরে ধৃত জইশ জঙ্গি

যে তামিল স্বশাসিত ভূখণ্ডের জন্য সশস্ত্র আন্দোলন চলছিল উত্তর শ্রীলংকায় তার সদর দফতর গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় ২০০৯ সাল নাগাদ৷ শ্রীলংকা সরকারের সেই সেনা অভিযানে এলিটিটিই প্রধান প্রভাকরণের মৃত্যু হলেও সংগঠনটি এখনও সক্রিয়৷ এই সংগঠনের হাতে ১৯৯১ সালের ২১ মে তামিলনাড়ুর শ্রীপেমারবুদুরে জনসভা চলাকালীন মানব বোমা বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছিল প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর।

লিবারেশন টাইগার অফ তামিল ইলম অর্থাৎ তামিলদের জন্য পৃথক স্বাধীন এলাকার দাবি৷ এই দাবিতেই সশস্ত্র আন্দোলন শুরু করে এলটিটিই৷ পরে শ্রীলংকা সরকারের সাহায্যে শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠায় ভারত সরকার৷ রক্তাক্ত সেই গৃহযুদ্ধের শেষ হয় শ্রীলংকা সরকারের বিতর্কিত সেনা অভিযানে৷ তার পর থেকে প্রায় নীরব ছিল এলটিটিই৷

আরও পড়ুন : জওয়ানদের স্বাচ্ছন্দ্য দিতে নতুন উর্দি ভারতীয় সেনায়

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে এলটিটিই সংগঠনের কোনও সমর্থক বা কর্মীকে ভারত সরকার মেনে নেবে না।