নয়াদিল্লি: মালিক ও কর্মচারীদের হয়ে এপ্রিল মাসের প্রভিডেন্ট ফান্ডের জন্য তাদের কন্ট্রিবিউশনের টাকা দিতে কর্মচারীদের প্রভিডেন্ট ফান্ড (ইপিএফ) -এ কেন্দ্র জমা করল এক হাজার কোটি টাকা। কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রকের পক্ষ থেকে সোমবার একথা জানানো হয়েছে।

শ্রমমন্ত্রকের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, যেহেতু তিন মাসের মূল বেতন এবং ডিএ অথবা সদস্যের ইপিএফ আকাউন্টে জমা থাকা অংকের ৭৫ শতাংশ যেটা কম তা এই মহামারী অথবা অতি মহামারীর কারণে তুলে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, তার ফলে এখনো পর্যন্ত প্রায় 2 লক্ষ ১০ হাজার সদস্য নিজেদের অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ৫১০ কোটি টাকা তুলেছেন। শুধু তাই নয় সরকারি সূত্রে খবর এই অংকটা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।

প্রসঙ্গত, এর আগেই শ্রমমন্ত্রক থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে করোনা ভাইরাসের জন্য যাতে ইপিএফও সদস্যরা এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অরগানাইজেশন থেকে নন রিফান্ডেবল অগ্রিম বাবদ টাকা তুলে নিতে পারে।ওই বিজ্ঞপ্তি মারফত ইপিএফ স্কিম ১৯৫২ সংশোধন করে অনুমতি দেওয়া হয়েছে তিন মাসের মূল বেতন এবং ডিএ অথবা সদস্যের ইপিএফ আকাউন্টে জমা থাকা অংকের ৭৫ শতাংশ যেটা কম তা এই মহামারী অথবা অতি মহামারীর কারণে তুলে নিতে পারা যাবে।

সরকার লক্ষ্য রাখছে যাতে ৭২ ঘন্টার কম সময় এই টাকা তোলার আবেদন মঞ্জুর করা হয়। আর সেটা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যেই ইপিএফও কর্তৃপক্ষ ফিল্ড অফিসগুলিকে নির্দেশ পাঠিয়েছে।

মঙ্গলবারই করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলায় লকডাউন বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার৷ এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী জাতির উদেশ্যে ভাষণে ঘোষণা করেন, করোনা মোকাবিলায় সারা দেশে লকডাউনের মেয়াদ ৩ মে পর্যন্ত বাড়ানো হল৷ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও লকডাউন বাড়ানোর পক্ষে৷ তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী৷ অর্থাৎ প্রথমে ২১ দিনের পর ফের ১৯ দিন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।