ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: কাশ্মীরে সন্ত্রাস দমনে আরও কড়া হল দ্বিতীয় মোদী সরকার৷ উপত্যকার জঙ্গি কার্যকলাপে লাগাম টানতে তৈরি হল টেরর মনিটরিং গ্রুপ৷ যার কাজ হবে কাশ্মীরে সমস্ত রকম সন্ত্রাসবাদ কার্যকলাপে নজর রাখা৷ অর্থাৎ দ্বিতীয় ইনিংসেও কাশ্মীর নিয়ে কঠোর মনোভাব বজায় রাখতে চাইছে মোদী সরকার৷

জি নিউজ তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, কাশ্মীর পুলিশ এবং দেশের সমস্ত গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্তাদের নিয়ে তৈরি হয়েছে টেরর মনিটরিং গ্রুপটি৷ রয়েছেন কাশ্মীর পুলিশের আইজি৷ গোয়েন্দা সংস্থা আইবি, এনআইএ এবং সিবিআই থেকে প্রতিনিধিদের রাখা হয়েছে সেখানে৷ এর বাইরে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ইনডাইরেক্ট ট্যাক্স এন্ড কাস্টমস এবং সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ডাইরেক্ট ট্যাক্সের সদস্যরাও টেরর মনিটরিং গ্রুপে রয়েছেন৷

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এক শীর্ষ আধিকারিক জানান, জঙ্গি কার্যকলাপ বজায় রাখার জন্য বিপুল অংকের টাকার দরকার হয়৷ এই টাকার বেশিরভাগটাই বাইরে থেকে আসে৷ সেই অর্থের উৎস কোথায়, কার কাছে কীসের মাধ্যমে টাকা পাঠানো হয় এই সব জানার জন্য ট্যাক্স বিভাগের কর্মীদের রাখা হয়েছে৷ এতদিন সন্ত্রাসবাদ ও সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে অর্থ যোগান সংক্রান্ত ঘটনাগুলির তদন্ত করছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ৷ সেই দায়িত্ব সঁপা হয়েছে ট্যাক্স বিভাগের প্রতিনিধিদের উপর৷ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের আধিকারিকের কথায়, এখন এই টিএমজির মাধ্যমে গোটা কাজটাই সুসংবদ্ধভাবে সংগঠিত হবে৷ প্রতিটা বিভাগকে নির্দিষ্ট দায়িত্ব সঁপা হয়েছে৷ সেই মোতাবেক তারা কাজ করবে৷ এবং তথ্যের আদান প্রদান করে একে অপরকে সহযোগিতা করবে৷

এছাড়া টিজিএ’র অপর কাজ হবে সন্ত্রাসের প্রতি সহানুভূতিশীল ব্যক্তিদের খুঁজে বের করা এবং উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া৷ কাশ্মীরে এমন অনেক সরকারি কর্মী, শিক্ষক আছেন যারা সন্ত্রাস ভাবধারায় বিশ্বাসী৷ এবং জঙ্গিদের মদত দিয়ে চলে৷ সেই সব লোকেদের খুঁজে করাই হবে টিজিএ’র বড় কাজ৷ এছাড়া বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের নজর রাখা হবে টিজিএ কাজ৷ প্রতি সপ্তাহে একবার টিজিএ’র সদস্যরা বৈঠক করবেন৷ এবং সাতদিনের তথ্য আদান প্রদান করবেন৷