এক ধাক্কায় দাম বাড়ল পেট্রোল-ডিজেল-গ্যাস সিলিন্ডারের

নয়াদিল্লি:সম্প্রতি পেট্রোল ডিসেল এবং রান্নার গ্য়াসের দাম যেভাবে বেড়েছে তাতে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে। কিন্তু এর দাম যেমন বেড়েছে তেমনই আবার কেন্দ্রীয় রাজকোষে শুল্ক হিসেবে জমা পড়েছে মোটা অংকের টাকা।পেট্রোপণ্য় ও রান্নার গ্যাস থেকে ৯ মাসে ৩ লক্ষ কোটি টাকার শুল্ক জমা পডেছে কেন্দ্রীয় কোষাগারে। এই অংকটি সাত বছরে সর্বোচ্চ। পেট্রোল গ্য়াসের দাম নিয়ে যখন গোটা দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে তখন এমন তথ্য দিয়েছেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।

মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুসারে ২০১৬ থেকে ২০২০ সালে এই পাঁচ বছরে এই খাতে শুল্ক সংগ্রহ ওঠানামা করলেও তা মোটামুটি দুই লক্ষ কোটির টাকার আশে পাশে থাকত। কিন্তু এবার প্রথম নয় মাসেই সেটা ৩ লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে। ২০১৯-২০ সালে এই খাতে শুল্ক বাবদ এসেছিল ১.৯৭ লক্ষ কোটি টাকা। তার আগের বছর ২০১৮-১৯ সালে অংকটা ছিল ২.৩৫ লক্ষ কোটি টাকা। তার আগে দুবছর ২০১৭-১৮ এবং ২০১৬-১৭ সালে শুল্ক আদায় হয়েছিল যথাক্রমে ২.৪১ লক্ষ কোটি টাকা এবং ২.৩৭ লক্ষ কোটি টাকা। এছাড়া মন্ত্রী জানিয়েছেন,গত সাত বছরে পেট্রোপণ্যের উপর কেন্দ্রীয় শুল্ক ৪৫৯ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে ।

মন্ত্রী জানিয়েছেন , বর্তমানে পেট্রোল এবং ডিজেল থেকে প্রতি লিটারে কেন্দ্র যথাক্রমে ৩২.৯০ এবং ৩১.৮০ টাকা শুল্ক নিচ্ছে যারফলে প্রতি মাসে ৩৩,০০০ কোটি টাকার উৎপাদন শুল্ক জমা হচ্ছে । কিন্তু ২০১৮ সালে পেট্রোল এবং ডিজেলে প্রতি লিটারে কেন্দ্র শুল্ক বাবদ পেত যথাক্রমে পেত ১৭.৯৮ টাকা এবং ১৩.৮৩ টাকা ।
লক্ষ্য করা গিয়েছে ডিসেম্বর থেকে মার্চ এই গত তিন মাসে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম ২২৫ টাকা বেড়ে গিয়েছে। একই রকম ভাবে লাফ দিয়ে বেড়েছে পেট্রোল ডিসেলের দাম। বিরোধিরা প্রশ্ন তুলেছেন ২০১৪ সালের মার্চের সাপেক্ষে এই মার্চে সাত বছরে রান্নার গ্য়াসের সিলিন্ডারের দাম ৪১০.৫ টাকা থেকে তা এখন ৮১৯ টাকা হয়েছে। একই রকম ভাবে এই সময়ের ব্যবধানে কেরোসিন ১৪.৯৬ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৩৫.৩৫ টাকা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.