নয়াদিল্লি: অক্সিজেন সংকটে ভুগছিল দিল্লি। বর্তমানে অব্যহতি মিলেছে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল নিজেই জানিয়েছেন অক্সিজেন সংকট পেরিয়ে এসেছে রাজধানী। কিন্তু কেন্দ্রের মতে দিল্লিতে অক্সিজেন সংকট হওয়ার কথাই নয়। যথেষ্ট পরিমাণে অক্সিজেন ছিল রাজধানীতে। সেগুলো ঠিকমতো ব্যবহারই করা হয়নি।

দিল্লির ৬২টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে কেন্দ্রীয় সংস্থা সম্প্রতি একটি সমীক্ষা চালায়। সমীক্ষা চালানো হয় ১১টি অক্সিজেন রিফিলিং সেন্টারেও। তখনই তারা জানতে পারে অক্সিজেনের ব্যবহার অপর্যাপ্ত হয়েছে। সম্ভবত অক্সিজেনের কালোবাজারি চলেছে। সেই কারণেই সঠিকভাবে অক্সিজেন ব্যবহৃত হয়নি। দিল্লিতে অক্সিজেনের এই সমস্যা দেশের সর্বত্র অক্সিজেন সরবরাহের চেইনের উপর প্রভাব ফেলছে। নিজেদের বক্তব্যকে আরও পোক্ত করার জন্য তারা এও বলে যে দিল্লি সরকার সুপ্রিম কোর্টে তার অক্সিজেনের প্রয়োজনীয়তা, বিতরণ এবং খরচের হিসাব দিতে চায়নি। কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, অক্সিজেনের ব্যবহারের অসাঞ্জস্যতা ইঙ্গিত দেয় যে অক্সিজেন কালোবাজারি হয়েছে অথবা দিল্লি সরকারের মন্ত্রীরা নিজেরাই তা সংগ্রহ করে রাখেন।

প্রসঙ্গত, অক্সিজেন সিলিন্ডার রাখার অভিযোগে সম্প্রতি দিল্লির খাদ্য ও নাগরিক সরবরাহ মন্ত্রী ইমরান হুসেনকে দিল্লি হাইকোর্ট নোটিস পাঠিয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের বক্তব্য যদি তারা দিল্লিতে প্রয়োজনীয়তা ছাড়াই অক্সিজেন সরবরাহ করে তবে অন্যান্য রাজ্যগুলি অক্সিজেন থেকে বঞ্চিত হবে। এই সপ্তাহের শুরুতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো দিল্লিকে ৭৩০ মেট্রিক টন তরল মেডিক্যাল অক্সিজেন (LMO) সরবরাহ করা হয়েছে। সমীক্ষা বলছে গত ২ দিনে হাসপাতাল ও রিফিলিং প্লান্টগুলিতে অক্সিজেনের স্টক ৫০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। এটি দৈনিক প্রয়োজনের প্রায় ১.২ গুণ। কিছু কিছু হাসপাতালে বর্তমানে অক্সিজেনের যে স্টক রয়েছে যা চার-পাঁচ দিন পর্যন্ত চলবে।

সম্প্রতি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানিয়েছেন, “বর্তমানে দিল্লিতে অক্সিজেনের সংকট নেই। যাতে কোনও রোগীর অবস্থার অবনতি না হয় তার জন্য আমাদের কাছে পর্যাপ্ত অক্সিজেন বেড রয়েছে।” উপমুখ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্য সচিব ও জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠকে একথা জানান কেজরিওয়াল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.