নয়াদিল্লি : চিন এবং ভারত সংঘর্ষের ফলে দেশ জুড়ে চিনা দ্রব্য বয়কটের এই প্রভাব ক্রমেই জোরালো আকার ধারন করছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও আত্মনির্ভর ভারতের ডাক দিয়েছেন, ভোকাল ফর লোকাল হতে বলেছেন। এরই মাঝে নয়া পদক্ষেপ।

দুটি বড় চিনা কোম্পানির বিনিয়োগে বিহারে তৈরি হতে চলা সেতু প্রকল্প বাতিল করল কেন্দ্র। গঙ্গার ওপর তৈরি হতে চলা এই সেতু তৈরির বরাত পেয়েছিল দুটি চিনা কোম্পানি। বিহার সরকারের পক্ষ থেকে এক উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিক জানিয়েছেন যে চারটি কোম্পানি এই সেতুর বরাত পায়, তার মধ্যে দুটি কোম্পানি চিনা। ফলে কেন্দ্রের তরফ থেকে নির্দেশ এই সেতু প্রকল্প বাতিল করতে হবে।

বিহার সরকার জানিয়েছে, নতুন করে টেন্ডার ডেকে এই প্রকল্প খুব দ্রুত চালু করা হবে। এজন্য ফের টেন্ডার ডাকার প্রক্রিয়া শুরু হবে। গোটা প্রকল্পের ব্যায় বরাদ্দ ২৯০০ কোটি টাকা। এই প্রকল্পে গঙ্গা নদীর ওপরে তৈরি করা হবে ৫.৬ কিমি লম্বা ব্রিজ। এর সঙ্গে থাকবে ছোট ছোট ব্রিজ, আন্ডার পাস ও রেল ওভারব্রিজ।

পূর্ব লাদাখে চিনা সেনার হাতে কুড়ি জন সেনা জওয়ান শহিদ হওয়ার পরেই কেন্দ্রে এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে। ২০১৯ সালের ১৬ই ডিসেম্বর ছাড়পত্র পায় এই প্রকল্প। কেন্দ্র সরকারের অর্থনীতি বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটি এই প্রকল্পে ছাড়পত্র দেয়। সায় দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও।

গঙ্গার ওপরে ঐতিহ্যবাহী মহাত্মা গান্ধী সেতুর সমান্তরালে তৈরি হবে এই ব্রিজ। পাটনা, সারণ ও বৈশালি জেলাকে জুড়বে এই সেতু। ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যে প্রকল্পটি শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে সীমান্তে সংঘাত। মুখোমুখি ভারত এবং চিন সেনা।

দুপক্ষের সংঘাতে ইতিমধ্যে ২০জন ভারতীয় সেনা শহিদ হয়েছেন। দেশ জুড়ে চিনের বিরুদ্ধে বাড়ছে ক্ষোভ। চিনা পণ্য বয়কটের ডাক উঠেছে। দেশের মানুষের চিনা দ্রব্য বিরোধী মনোভাবকে কাজে লাগাতে মরিয়া ভারতীয় সংস্থাগুলি। এবার তাই নতুন টেন্ডারে ভারতীয় সংস্থাই সুযোগ পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ