নয়াদিল্লি: হোলির পরই উত্তর-পূর্ব দিল্লির সংঘর্ষ নিয়ে আলোচনায় বসবে কেন্দ্রীয় সরকার। মঙ্গলবার সংসদে একথাই জানিয়েছেন লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা। কেন্দ্রের তরফে এই আশ্বাসের পরই নতুন করে ঘুটি সাজাতে শুরু করেছে বিরোধীরা।

দিল্লির গন্ডগোল প্রসঙ্গে কোন কোন ইস্যুতে সরকারকে প্যাঁচে ফেলা যাবে তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু করে দিয়েছেন বিরোধী নেতারা। সেই কারণেই হোলির পর দিল্লির সংঘর্ষ ইস্যুতে নতুন করে তুমুল হট্টগোলের আশঙ্কা সংসদের দুই কক্ষেই।

অবশেষে দিল্লির সংঘর্ষ নিয়ে আলোচনায় বসতে রাজি মোদী সরকার। হোলির পরই উত্তর-পূর্ব দিল্লির সংঘর্ষ নিয়ে আলোচনা করতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার। সোমবারের পর মঙ্গলবারও দিল্লিরঘটনা নিয়ে আলোচনার দাবিতে সোচ্চার হন বিরোধী সাংসদরা। তুমুল হট্টগোল হয় লোকসভায়।

কেন্দ্রের ব্যর্থতার জেরেই দিল্লির সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি বলে সোচ্চার হতে থাকেন বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা। একই ইস্যুতে উত্তপ্ত পরিবেশ তৈরি হয় রাজ্যসভাতেও। দিল্লির সংঘর্ষে কেন্দ্রকে কাঠগড়ায় তুলে আক্রমণ শানাতে শুরু করে বিরোধীরা।

মঙ্গলবার অধিবেশনের আগে বিজেপির সংসদীয় দলের বৈঠকে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দলীয় সাংসদদের নিয়ে বৈঠকে মোদী বলেন, ‘দেশের উন্নয়নে শান্তি বজায় রাখা প্রয়োজন। আমাদের দলের মূল মন্ত্র হল উন্নয়ন। দেশে শান্তির পরিবেশ বজায় রাখতে উদ্যোগ নিতে হবে দলের নেতাদের।’

সিএএ সমর্থনকারী ও বিরোধীদের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয় উত্তর-পূর্ব দিল্লির বিস্তীর্ণ প্রান্ত। মৌজপুর, জাফরাবাদ, চাঁদবাগ, সিলমপুর-সহ একাধিক এলাকায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দু’পক্ষ। দিল্লির ঘটনায় এখনও পর্যন্ত নিহত বেড়ে ৪৭। এখনও শতাধিক মানুষ সংঘর্ষে আহত হয়ে দিল্লির বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। ৫০ জনেরও বেশি মানুষের শরীরে গুলির ক্ষত রয়েছে।