মালদহ: চিকিৎসা পরিষেবার হাল খতিয়ে দেখতে গিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যদের। মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি ও পর্যাপ্ত সংখ্যায় চিকিৎসক না থাকায় অসন্তোষ প্রকাশ কেন্দ্রীয় দলের সদস্যদের। যদিও প্রকাশ্যে বিষয়টি নিয়ে কোনও মন্তব্যই করতে চাননি কেন্দ্রীয় দলের সদস্যরা।

সম্প্রতি মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে আচমকা পরিদর্শনে গিয়ে চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্রও। এই ঘটনার ঠিক কয়েকদিনের মাথায় বৃহস্পতিবার মালদহ মেডিক্যাল কলেজের ‘মাতৃ-মা’ বিভাগ পরিদর্শন করেন কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধি ।

‘মাতৃ-মা’ বিভাগের চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। এদিন কেন্দ্রীয় সরকারের রিপ্রোডাক্টিভ চাইল্ড হেলপের জয়েন্ট সেক্রেটারি এবং ইউনিসেফের সদস্যরা গিয়েছিলেন মালদহ মেডিক্য়ালে।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ মেডিক্যাল কলেজের ‘মাতৃ-মা’ বিভাগ ঘুরে দেখেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা৷ হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে চিকিৎসকদের দেখা না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাঁরা। এ বিষয়ে মালদহ মেডিক্যাল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল ডাঃ অমিত দাঁ জানান, ‘মাতৃ-মা’ বিভাগটি পরিদর্শন করেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের এক সদস্য।

এই বিভাগে কী ধরনের চিকিৎসা পরিকাঠামো রয়েছে, কতজন চিকিৎসক রয়েছেন সে বিষয়ে খোঁজ নেন তিনি। উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি। তবে প্রসূতি বিভাগে চিকিৎসকের দেখা না পেয়ে খানিকটা অসন্তুষ্ট হয়েছেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের ওই কর্তা।

১২ ফেব্রুয়ারি মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেন জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্র। মেডিক্যাল কলেজের বিভিন্ন বিভাগগুলি ঘুরে দেখেন তিনি। কথা বলেন রোগীর আত্মীয়দের সঙ্গেও। হাসপাতাল ঘুরে দেখার সময় বিভিন্ন বিভাগে চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি নিয়ে অসন্তুষ্ট হন জেলাশাসক।

এরই পাশাপাশি চিকিৎসকদের ডিউটি রোস্টার দেখতে না পেয়েও বেজায় চটে যান জেলাশাসক। এরপর মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চিকিৎসা পরিষেবা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বৈঠকও করেন জেলাশাসক।

জেলাশাসকের পরিদর্শনের কয়েকদিনের মধ্যেই ফের মালদহ মেডিকেল কলেজের ‘মাতৃ-মা’ বিভাগ ঘুরে দেখলেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের এক কর্তা। এই প্রসঙ্গে মেডিক্যাল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল ডাঃ অমিত দাঁ জানিয়েছেন, ‘মাতৃ-মা’ বিভাগটি পরিদর্শন করেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের এক কর্তা। তাঁর সঙ্গে ইউনিসেফের সদস্যরাও ছিলেন।

মেডিক্যাল কলেজের বেশ কয়েকটি বিভাগে চিকিৎসকদের সংখ্যা কম। এছাড়াও অধিকাংশ চিকিৎসক নিয়মিত উপস্থিত থাকছেন না‌। এব্যাপারে মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল ডাঃ পার্থপ্রতীম মুখোপাধ্যায়-সহ ঊর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও