রায়গঞ্জ: এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ফ্ল্যাটেই কোয়ারেন্টাইন নোটিশ ঝোলাতে গেলেন স্বাস্থ্য দফতরের কর্তা ও থানার আইসি। যদিও মন্ত্রীর বাধায় বাধ্য হয়েই ফিরে যেতে হয় তাঁদের। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তাঁকে হেনস্থা করার অভিযোগ তুলেছেন রায়গঞ্জের বিজেপি সাংসদ। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে অভিযোগ জানানোরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

দিন কয়েক আগেই দিল্লি থেকে রায়গঞ্জের ভাড়া করা ফ্ল্যাটে ফিরেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রায়গঞ্জের বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী। প্রথমে দেবশ্রীর ফ্ল্যাটে যান স্বাস্থ্য দফতরের কয়েকজন আধিকারিক। ফ্ল্যাটে কোয়ারেন্টাই নোটিশ ঝোলাতে গেলে তাঁদের বাধা দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। বাধ্য হয়েই ফিরে যান তাঁরা।

পরে রায়গঞ্জ ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ও রায়গঞ্জ থানার আইসি দেবশ্রীর ফ্ল্যাটে যান। তাঁরাও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ফ্ল্যাটে কোয়ারান্টাইনের পোস্টার লাগাতে চেষ্টা করেন। ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে তাঁদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

তুমুল বাদানুবাদ শুরু হয়ে যায় দু’পক্ষের মধ্যে। সরকারি কোন নির্দেশে তাঁরা ওই পোস্টার সাঁটাতে এসেছেন, সেই নির্দেশিকা দেখতে চান মন্ত্রী। ওই সরকারি আধিকারিকদের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ‘কার প্ররোচনায় এসব হচ্ছে?’। আপনারা বলুন কার নির্দেশে আমার ফ্ল্যাটে কোয়ারেন্টাইন নোটিশ ঝোলাতে এসেছেন?’। মন্ত্রীর কথায় চুপ থাকেন সরকারি আধিকারিকরা। তারপরেও বেশ কিছুক্ষণ বাদানুবদ চলার পর কোয়ারেন্টাইন নোটিশ না লাগিয়েই ফিরে যান ওই দুই সরকারি আধিকারিক।

গোটা ঘটনা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিযোগ করেছেন রায়গঞ্জের বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মন্ত্রীকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানোর জন্য এই জেলায় দু’দিন ধরে তামাশা চলছে। হেনস্থা করার মাশুল দিতে হবে ওদের ।’ এই ঘটনার পরিপ্রক্ষিতে রায়গঞ্জ পুরসভার চেয়ারম্যান মোহিত সেনগুপ্তকে নাম না করে “মাতব্বর” বলেও কটাক্ষ করেছেন দেবশ্রী চৌধুরী।

তিনি আরও বলেন, “সংসদের কাজ সেরে এখানে ফিরেছি । ৫৪৩ জন সাংসদও বাড়ি ফিরেছেন। সবাই সবার জায়গায় ফিরে গিয়েছেন । হঠাৎ করে মনে পড়ল দেবশ্রী চৌধুরীকেই কোয়ারেন্টাইনে পাঠাতে হবে। বড় বড় মাতব্বর সবাই। এঁরাই আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। তারই ভিত্তিতে পুলিশ আমার বাড়িতে পোস্টার লাগাতে এসেছিল। কার নির্দেশে পোস্টার লাগাতে এসেছেন বললেও ওই সরকারি আধিকারিকরা আমায় তা জানাতে পারেননি।”

দেবশ্রী চৌধুরী জানিয়েছেন, তিনি হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। তবে তাঁকে হেনস্থা করার চক্রান্ত শুরু হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। উল্টে তাঁর অভিযোগ, রাজ্য প্রশাসনের কর্তারাই মাস্ক না পরে, সামাজিক দূরত্ব না মেনে তাঁর বাড়িতে এসেছিলেন ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।