নয়াদিল্লি: ই-মেলে নজরদারি ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টে বড় জয় পেলেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। কেন্দ্রীয় সরকার শীর্ষ আদালতে জানিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্ভাব্য নজরদারি বন্ধ করা হচ্ছে। কিছুদিন আগেই নাশকতা ও অন্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি রুখতে সোশ্যাল মিডিয়ায় নজরদারির পরিকল্পনা করে কেন্দ্রীয় সরকার।

কেন্দ্রের এই পরিকল্পনা নিয়ে শুরু থেকে আপত্তি তোলে কংগ্রেস, তৃণমূল-সহ একাধিক রাজনৈতিক দল। নাগরিকদের গোপনীয়তার শর্ত লঙ্ঘন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলেন মহুয়া মৈত্র। ই-মেল ও সোশ‌্যাল মিডিয়ার উপর কেন্দ্রের নজরদারির বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন মহুয়া মৈত্র। শীর্ষ আদালতে মহুয়ার হয়ে সওয়াল করেন বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিংভি। সুপ্রিম কোর্টে চলা শুনানিতে কেন্দ্রীয় সরকারের পরিকল্পনায় নাগরিকদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হওয়ারও আশঙ্কা প্রকাশ করেন সিংভি। শেষমেশ মহুয়া মৈত্রের করা মামলার প্রেক্ষিতে এই ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল কেন্দ্র।

শুনানিতে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়, ই-মেলে আর নজরদারি করা হবে না। ই-মেলে নজরদারির জন্য প্রস্তাবিত টেন্ডারও বাতিল করা হয়েছে। এদিকে, কেন্দ্রের এই অবস্থানের পরই স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। টুইটারে মহুয়া লেখেন, ‘আমার পিটিশনের ভিত্তিতে এদিন ইউআইডিএআই জানিয়েছে, তারা সোশ‌্যাল মিডিয়া নজরদারির সিদ্ধান্ত প্রত‌্যাহার করে নিচ্ছে। ভবিষ‌্যতেও নজরদারির কোনও পরিকল্পনা নেই। বেআইনিভাবে মানুষের উপর নজরদারির বিরুদ্ধে বিচার পেলাম।’

ই-মেল ও সোশ্যাল মিডিয়ায় নজরদারি নিয়ে শুরু থেকেই কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয় বিরোধীরা। সংসদের ভিতরে ও বাইরে এ বিষয়ে একাধিকবার সরব হন বিরোধী সাংসদরা। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে নাগরিক স্বার্থে আঘাত আনারও অভিযোগ আনে বিরোধী দলগুলি।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ