নয়াদিল্লি : ১৯৬২, ১৯৬৫ ও ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সময়ে চিন এবং পাকিস্তানীদের বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তিকে এবার ভারত সরকার ‘পাবলিক ইউজ’ বা সর্বসাধারণের জন্য ব্যবহারের করার সিদ্ধান্ত নিল ভারত সরকার৷ দেশে এমন ৯,৪০০ সম্পত্তি রয়েছে যার মুল্য এক লক্ষ কোটি টাকার বেশি৷ এছাড়া সরকারের কাছে শত্রুর ৩,০০০ কোটি টাকার বেশি শেয়ার রয়েছে৷

১৯৬৮ সালে দ্য এনিমি অ্যাক্ট অনুযায়ী এই সম্পত্তির দেখাশোনা হয়৷ ২০১৭ সালে এই অ্যাক্টটি সংশোধন করা হয়েছে৷ যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে ,ভারতীয়দের পুর্বপুরুষ যারা পাকিস্তান বা চিনে স্থায়ী ভাবে বসবাস করছে তাদের এই সম্পত্তিতে কোনও অধিকার থাকবে না৷

পাকিস্তানও ভারতীয় মালিকানার এমন কিছু বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তি বিক্রি করে দেয়৷ তার মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের বেশ কিছু সম্পত্তি রয়েছে৷ নিয়ম উলঙ্ঘন করেই পাকিস্তান এই কাজ করে৷ সেই সময় চুত্তি অনুযায়ী ১৯৬৫ এর সঙ্গে যুক্ত দুই দেশের সম্পত্তি মালিকদের ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছিল৷

মহম্মদ আলি জিন্নার বাড়ি৷

ভারতে পাকিস্তানের ৯,২৮০ এমন সম্পত্তি রয়েছে৷ সেখানেই চিনের সম্পত্তির সংখ্যা ১২৬ যেগুলি এই দেশে রয়েছে৷ ভারতে এমন পাকিস্তানি সম্পত্তি ৪,৯৯১ উত্তর প্রদেশ,২,৭৩৫ পশ্চিমবঙ্গে এবং ৪৮৭টি সম্পত্তি দিল্লিতে রয়েছে৷ চিন নাগরিকদের ছেড়ে যাওয়া সব থেকে বেশি ৫৭ টি সম্পত্তি মেঘালয়ে রয়েছে৷ এছাড়া ২৯টি সম্পত্তি পশ্চিমবঙ্গ এবং অসমে রয়েছে৷

এবার সরকার বাজেয়াপ্ত করা এই সম্পত্তি কে বিক্রি করার চেষ্টা করছে ৷ গত মাসে সরকার এমন একটি কমিটি তৈরি করে যার মাধ্যমে ২০,৩২৩ শেয়র রয়েছে এমন ৯৯৬ কম্পানিতে ৬.৫ কোটির বোশি শেয়ার বিক্রি করে৷ এই শেয়ারগুলি কস্টোডিয়ান এনিমি প্রাপর্টি ফর ইন্ডিয়া অন্তর্গত কস্টডিতে ছিল৷