নয়াদিল্লি: করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৈরি পিএম কেয়ার ফান্ডে জমা টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলে মোদী সরকারকে আক্রমণ বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা পি চিদম্বরমের। কেন্দ্রের ওই প্রকল্পে কোন চিনা সংস্থার অনুদান জম হয়েছে কিনা তা নিয়ে বুধবার প্রশ্ন তুলেছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম।

করোনা আবহে কেন্দ্রীয় সরকার পিএম কেয়ার ফান্ড তৈরি করে। করোনা মোকাবিলায় গোটা দেশের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো ঢেলে সাজাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও সেই সময় সকলকে পিএম কেয়ার ফান্ডে অনুদান দিতে আবেদন জানান।

যদিও প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থাকা সত্ত্বেও পিএম কেয়ার ফান্ডের যৌক্তিকতা নিয়ে সে সময় প্রশ্ন তোলেন বিরোধীরা। বিরোধী বাম-কংগ্রেস থেকে শুরু করে একাধিক দল কেন্দ্রের পিএম কেয়ার ফান্ড নিয়ে সরব হন। যদিও মঙ্গলবারই এবিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে স্বস্তি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

শীর্ষ আদালত পিএম কেয়ার ফান্ড নিয়ে মোদী সরকারকে স্বস্তি দিলেও সমালোচনা থামায়নি বিরোধীরা। বুধবার ফের করোনা মোকাবিলায় কেন্দ্রের তৈরি পিএম কেয়ার ফান্ড নিয়ে সরব হন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম। মার্চ মাসে তৈরি হওয়া কেন্দ্রের এই তহবিলে কোনও চিনা সংস্থার অনুদান জমা পড়েছে কিনা মোদী সরকারকে তা স্পষ্ট করে জানাতে আবেদন করেছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।

টুইটে চিদম্বরম লেখেন, ‘মার্চ মাসে পিএম কেয়ার ফন্ড তৈরি হয়েছিল। এই তহবিলে কোনও চিনা সংস্থার অনুদান পড়তেই পারে। পিএম কেয়ার ফান্ডে কারা টাকা দিয়েছিল সব তথ্য কি মোদী সরকার প্রকাশ করতে পারবে?’

গালওয়ান সীমান্তে চিনা আগ্রাসনের পর থেকে দেশজুড়ে চিনা দ্রব্য বয়কটের ডাক ওঠে। দেশের একাধিক ক্ষেত্রে চিনা সংস্থার বিনিয়োগ প্রস্তাব বাতিল করা হয়। এমনকী কেন্দ্রীয় সরকারও একাধিক কাজে চিনা সংস্থার সঙ্গে কাজের চুক্তি বাতিল করে। শুধু তাই নয়, দেশে জনপ্রিয় চিনা অ্যাপগুলি নিষিদ্ধ করে দেয় কেন্দ্র।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।