স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি : ভোটগণনা প্রস্তুতি তুঙ্গে জলপাইগুড়িতে৷ গোটা জেলার নিরাপত্তা ব্যবস্থা তার আগের দিন অর্থাৎ বুধবার ঘুরে দেখলেন জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিক শিল্পা গৌরিসারিয়া৷ তিনি এদিন জানান, ২৬ মে পর্যন্ত ই ভি এম নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী জলপাইগুড়ি জেলায় থাকবে। যদিও গণনা পরবর্তী রাজনৈতিক গোলমালের জন্য আলাদা করে বাহিনী আনার বিষয়ে এখনও কোনও নির্দেশ নেই৷

২৩শে মে সকাল ৮ টা থেকে আগে পোস্টাল ব্যালট গণনা হবে। পোস্টাল ব্যালট বিশেষ যন্ত্রে স্ক্যান করা হবে বলে জেলাশাসক জানিয়েছেন। তাই গুনতে সময় লাগবে। তাছাড়া পোস্টাল ব্যালটের ফলাফলে যদি দেখা যায় যে ব্যবধানে প্রার্থী জয়ী হয়েছেন, সেই ফলাফলের চাইতে যদি বাতিল ব্যালট ভোট বেশী হয় তাহলে পুনরায় সেই প্রক্রিয়ায় স্কুটিনি হবে বলে জেলা নির্বাচন আধিকারিক জানিয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে প্রথম রাউন্ড গণনার পরেই দ্বিতীয় রাউন্ড গণনা হবে। পোস্টাল ব্যালট শেষ করেই ইভিএম গণনা শুরু হবে। শেষে ভিভিপ্যাট গণনা হবে লটারি করে। প্রত্যেক বিধানসভা থেকে লটারির মাধ্যমে ৫ টি করে ভিভিপ্যাট মেশিন গোনা হবে। তবে গণনা প্রক্রিয়া অনেক নিয়ম মেনে করাতে সময় একটু বেশী লাগবে বলে জানানো হয়েছে৷

জেলাশাসক জানিয়েছেন, যতো তাড়াতাড়ি নিখুঁতভাবে গণনা শেষ করা যায় তার জন্য সব ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আটশো থেকে এক হাজারের গণনা কর্মী থাকছে জলপাইগুড়ি ক্যাম্পাসের গণনা কেন্দ্রে৷ ১৪ রাউন্ডে গণনা হবে। ১৫৮ টি টেবিল থাকছে। গণনা কেন্দ্রের ক্যাম্পাসে পর্যবেক্ষক এবং জেলা প্রশাসন, পুলিশের মোট ১২ টি গাড়ি প্রবেশ করানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও মিডিয়া, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, অন্য অফিসারদেরও অনেকটা পায়ে হেঁটে গণনা কেন্দ্রে বা রাজনৈতিক দলের তাঁবুতে আসতে হবে। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের জলপাইগুড়ি ক্যাম্পাসে তাই সাজো সাজো রব। ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবিস্থায় পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী, সিভিক পুলিশ থাকছে।