নয়াদিল্লি: ভারতে আছড়ে পড়েছে করোনা ভাইরাসে দ্বিতীয় ঢেউ। পরিস্থিতি সামাল দিতে নাকানি চোবানি খাচ্ছে সরকার। প্রত্যেক দিন বহু মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন এই মারণ ভাইরাসে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ লক্ষের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এই প্রাণঘাতী ভাইরাসে। মারা যাচ্ছেন অনেকে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় অক্সিজেনের অভাব ও হাসপাতালে বেডের অভাব আক্রান্তদের মধ্যে ভয়ের সঞ্চার ঘটিয়েছে। বাতিল বা স্থগিত করা হয়েছে বিভিন্ন পরীক্ষা।

পরিস্থিতির ওপর জোর দিয়ে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে যে ভারত সরকারের আর্থিক সাহায্য প্রাপ্ত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে মে মাসে হতে চলা সমস্ত অফলাইন পরীক্ষা আপাতত স্থগিত করতে হবে। কিন্তু চলতে পারে অনলাইন পরীক্ষা। কেন্দ্রীয় উচ্চ শিক্ষা সচিব অমিত খারে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলিকে সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা চিঠি লিখে জানিয়েছেন। জানানো হয়ে যে জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে পরীক্ষা নিয়ে আবার আলোচনা করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রক বলেছেন ” শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে উপদেশ দেওয়া হচ্ছে যে সেখানে যদি কোনো ব্যক্তির কোনো বিষয়ে সাহায্যের প্রয়োজন হয় সেই বিষয়ে যেনো দ্রুত পদক্ষেপ করা হয় এবং প্রতিষ্ঠানের যোগ্য ব্যক্তিদের ভ্যাকসিনেশন এর জন্য উৎসাহিত করা প্রয়োজন। এবং সবাই যাতে করোনা বিধি মেনে চলেন সেই বিষয়েও নজর দিতে হবে।”

সরকারি অনুদান প্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলির মধ্যে সকল কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ইন্ডিয়ান ইনস্টটিউট অফ টেকনোলজি, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি ও ইন্ডিয়ান ইনস্টটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজি এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলি আওতায় পড়ছে। দেশের বহু বিশ্ববিদ্যালয় করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ইতিমধ্যেই সেমেস্টার ও এন্ট্রান্স পরীক্ষা স্থগিত করেছে। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রতি ফাইনাল বর্ষের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পরীক্ষা জুন মাস অবধি স্থগিত করেছে। উত্তর প্রদেশের আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা উপাচার্যের কাছে পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়ে অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে ফল প্রকাশ করার আবেদন করেছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.